রবিবার ফাদার্স ডে
বাঙালী প্রতিবেদনঃ আজ যারা পিতা একদিন তারা শিশু ছিলেন এবং তাদেরও পিতা আছে। পিতা ছাড়া কোনো সন্তান নেই। এই অনিবার্য সত্যটি অনেক সময় আমরা আমাদের কর্মব্যস্ততার কারণে ভুলে যাই। ভুলে যাই, হাজার হাজার মাইল দূরে নিজ ভিটামাটিতে আমাদের পিতারা বার্ধক্যের নমনীয় ঝিমধরা জীবনে লম্বা সময়কে আরো টেনে কিভাবে একাকী জীবন কাটাচ্ছেন সে কথা। তাদের জন্য মাসে মাসে টাকা পাঠিয়ে আমরা অনেকেই আমাদের দায়িত্ব পালন করছি ভেবে নিশ্চিন্ত হই। সারাদিন ফোনে বন্ধুদের সাথে হাজারো কথা বললেও সপ্তাহে আমরা একদিন বাবার সাথে কথা বলার সময় পাই না। কিন্তু একদিন আমরাও তো সেই বার্ধক্যেই পৌঁছাবো। তখন হয়তো সাইক্লিক অর্ডারে আমাদের পিতাদের ভাগ্যের পাথর চেপে বসবে আমাদের ঘাড়ে।
ফাদার্স ডে হয়তো এই অবহেলার হাত থেকে, বঞ্চনা থেকে পিতাদের একটি দিনের জন্য মুক্ত করার লক্ষ্যেই ধার্য করা হয়েছে।
নিউইয়র্কে অনেক বাবা ছেলেমেয়েদের সাথে থাকেন। অনেক বাবা—মাকে ছেলেমেয়েরা বাবা—মা’র মত রাখেন না যেমন তারা রেখেছিলেন তাদের সন্তানদের শৈশবে। এখানে বৃদ্ধ বাবা মার সাথে দুর্ব্যবহার করে ছেলে ও মেয়েরা এবং তাদের স্ত্রী ও স্বামীরা। গোপনে বৃদ্ধ বাবা—মার নামে অর্থ উপার্জন করে তাদের জানায় না এবং সেই অর্থের ভাগও দেয় না।
কাল রবিবার ফাদার্স ডে। আসুন এই দিন বাবাদের শপিংএ নিয়ে যাই, রেস্টুরেন্টে নিয়ে যাই, বিকেলে পার্কে বা থিয়েটারে নিয়ে যাই, কিংবা তারা যা পছন্দ করেন তাই করি। সকালে ঘুম থেকে জেগে বাবারা যেন বেডসাইডে ফাদার্স ডে কার্ডটি পান। যে কার্ডে লেখা থাকবে ‘আপনিই পৃথিবীর সেরা পিতা’। লেখা থাকবে ‘আপনার ঋণ কোনোদিন শোধ করতে পারব না’। কিংবা ‘আপনি সুস্থ থেকে দীর্ঘজীবী হোন’। সেই সাথে ‘আব্বা আপনাকে খুব ভালোবাসি’।
সকল বাবার জন্য সাপ্তাহিক বাঙালীর পক্ষ থেকে হ্যাপি ফাদার্স ডে।
ফাদার্স ডে উপলক্ষে সাপ্তাহিক বাঙালীর বিশেষ আয়োজন পড়–ন ৬ ও ৭ পৃষ্ঠায়।
