আমেরিকার ইউনিভার্সিটিতে বাংলাদেশী শিক্ষকÍ ১৭৩
বাঙালী প্রতিবেদনঃ আমেরিকার বিভিন্ন ইউনিভার্সিটি ও কলেজে বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত বিপুল সংখ্যক নারী ও পুরুষ শিক্ষকতার সাথে জড়িত। তাদের অনেকেই লেকচারার কিংবা এ্যাসিস্ট্যান্ট বা এসোসিয়েট প্রফেসর কিংবা ফুল প্রফেসর। কেউ কেউ প্রফেসর ইমেরিটাসও। আরো আছেন গবেষক। তাদের প্রায় সকলেরই রয়েছে গবেষণা গ্রন্থ কিংবা গবেষণা নিবন্ধ। বই প্রকাশিত হয়েছে বিভিন্ন ইউনিভার্সিটির নিজস্ব প্রকাশনা থেকে। তাদের নিবন্ধ প্রকাশিত হয় নিজ নিজ ইউনিভার্সিটিসহ আন্তর্জাতিক জার্নালে। সাপ্তাহিক বাঙালী এই সিরিজে কেবল বিভিন্ন ইউনিভার্সিটি ও কলেজে যারা শিক্ষকতা ও গবেষণা করেন তাদের সংক্ষিপ্ত তথ্য তুলে ধরছেঃ
ড. ইশরাত রহমান
ইউনিভার্সিটি অব মেরিল্যান্ডের কলেজ পার্কের অন্তর্গত মন্টগোমারি কলেজের কেমিস্ট্রির এসোসিয়েট প্রফেসর ড. ইশরাত রহমান। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বায়োকেমিস্ট্রিতে বি.এস. এবং এম.এস. করেন। পরে ইউনিভার্সিটি অব মেরিল্যান্ড পার্ক থেকে মাইক্রোবায়োলজিতে পিএইচ.ডি করেন। তিনি পোস্ট ডক্টরেট করেন মেরিল্যান্ডের ইউনিভার্সিটি অব হেলথ সার্ভিসেসে। পরে পোস্ট ডক্টরাল ফেলো হিসাবে ৬ বছর কাজ করেন ইউএস ফুড এন্ড ড্রাগ এডমিনিস্ট্রেশন, এফডিএতে।
ড. আখতার শোয়াইব চৌধুরী
ইউনিভার্সিটি অব মেরিল্যান্ডের কলেজ পার্কের অন্তর্গত মন্টগোমারি কলেজের ইন্সট্রাকশনাল ল্যাব ম্যানেজার এবং এডজাংক্ট ফ্যাকাল্টি ড. আখতার শোয়াইব চৌধুরী। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বায়োকেমিস্ট্রিতে বি.এস. করেন। পরে জাপানের কুমামোতো ইউনিভার্সিটি থেকে মলিকিউলার বায়োলজিতে পিএইচ.ডি করেন। তিনি পোস্ট ডক্টরাল ফেলোশিপ সম্পন্ন করেন জন্স হপকিন্স ইউনিভার্সিটিতে। তার গবেষণার বিষয় ছিল ব্রেনের জিন এক্সপ্রেশন।
ড. কাজি মাসুম রহমান
ইউনিভার্সিটি অব মেরিল্যান্ডের কলেজ পার্কের অন্তর্গত মন্টগোমারি কলেজের জেনারেল বায়োলজি এবং এনভার্নমেন্টাল বায়োলজির শিক্ষক ড. কাজি মাসুম রহমান। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বায়োকেমিস্ট্রি ও মলিকিউলার বায়োলজিতে বি.এসসি. ও এম.এসসি. করে স্টকহোমের ইউনিভার্সিটি অব সুইডেন থেকে ইমিউনোলজিতে পুনরায় এম.এসসি. করেন এবং একই ইউনিভার্সিটি থেকে বায়োকেমিস্ট্রি ও বায়োফিজিক্সে পিএইচ.ডি. করেন।
