গভর্নর হকুলের ইমিগ্রেশন অভিযান বিরোধী আইন পাশ || আইস বলছে, তারা স্টেটের আইন মানবে না

বাঙালী প্রতিবেদনঃ নিউইয়র্ক স্টেটের গভর্নর ক্যাথি হকুল ফেডারেল ইমিগ্রেশন এজেন্টদের কার্যক্রমের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা জারি করলে ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি স্টেটের কোনো নির্দেশনা মানবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে। শুক্রবার নিউইয়র্ক টাইমস এই খবরটি দিয়ে বলছে, গভর্নর ফেডারেল এজেন্টদের নির্দেশনা দিয়েছিলেন তারা অপারেশন চলাকালে মাস্ক ব্যবহার করতে পারবে না। এছাড়াও হাসপাতাল বা স্কুলে সার্চ করতে ওয়ারেন্ট থাকতে হবে। নিউইয়র্ক টাইমস বিষয়ে ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটির একটি মেমোর বরাত দিয়ে বলছে, সেই মেমোতে বলা হয়েছে ফেডারেল এজেন্টদের স্টেট বা লোকাল মাস্ক নিষিদ্ধের আইন মেনে চলার কোনো প্রয়োজন নেই। অতএব স্টেটের বাধা সত্ত্বেও এজেন্টরা তাদের ডিউটি পালন করবে।

গভর্নর ক্যাথি হকুলের মুখপাত্র জেন গুডম্যান বলেন, যদি নিউইয়র্কের আইনকে কেউ অবজ্ঞা করে তার পালাবার পথ নেই। যে কেউ নিউইয়র্কের আইন ভঙ্গ করলে তাকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবে। এর উত্তরে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি থেকে বলা হয়েছে নিউইয়র্কে মাস্ক নিষিদ্ধের আইন তাদের অফিসারদের দায়িত্ব পালনে বাধাগ্রস্ত করবে। তারা বলেন, তারা এই অসাংবিধানিক নিষিদ্ধের আইন মানবে না।

নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, নিউইয়র্কে কোনো অবস্থাতেই পুলিশ আইসকে ডাকতে পারবে না বলে জানিয়েছেন গভর্নর ক্যাথি হকুল।

টাইমস আরো বলছে, প্রেসিডেন্টের প্রতি সমর্থন ক্রমাগত কমে যাওয়ার কারণে মিনিয়াপোলিসে দুইজন আমেরিকান নাগরিকের মৃত্যুর পর থেকে তারা অন্যান্য বিষয়ের সাথে ইমিগ্রেশন ইস্যু নিয়ে সবচেয়ে চিন্তিত। কারণ ইতিমধ্যেই ক্যালিফোর্নিয়া, কলোরাডো, ওয়াশিংটন উইসকনসিন স্টেট এই বিল তুলেছে। যাতে যে কোনো নাগরিক তাদের স্টেটে যদি কোনো ইমিগ্রেশন এজেন্ট সংবিধান লংঘন করে তার বিরুদ্ধে মামলা করা যাবে। ঐসব দৃষ্টান্ত দেখেই নিউইয়র্ক স্টেট এই নতুন আইন পাশ করেছে।

Related Posts