৩৫ হাজার ভোটার নিয়ে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন রবিবার
বাঙালী প্রতিবেদনঃ নিউইয়র্কে কোনো বাংলাদেশী সংগঠনগুলোর ইতিহাসে এমন ঘটেনি। এবারই প্রথম ৩৫ হাজারেরও বেশি সদস্য বা ভোটার নিয়ে আগামীকাল রবিবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে সামাজিক সংগঠন বাংলাদেশ সোসাইটির ত্রিবার্ষিক নির্বাচন। এই নির্বাচনে দুটি পূর্ণ প্যানেল মুখোমুখি হয়েছে। একটি প্যানেলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন গত দুই বছরের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান সেলিম এবং মোহাম্মদ আলী। আর অপর প্যানেলের নেতৃত্বে আছেন সাবেক সভাপতি আজমল হোসেন কুনু ও ফিরোজ আহমেদ। দুটি প্যানেলেরই নিজস্ব ভোটব্যাংক রয়েছে। এছাড়াও অন্য ভোটারদের টানার জন্য গত এক মাসেরও বেশি সময় ধরে তারা নিউইয়র্ক সিটির প্রধানত তিনটি বরোতে অর্থাৎ কুইন্স, ব্রুকলিন ও ব্রংক্সে দফায় দফায় নির্বাচনী প্রচারণা সভার আয়োজন করে চলেছেন। এই তিনটি বরোতেই দুই প্যানেলের ক্যাম্পেইন কমিটি গঠন করা হয়েছে। তারাও নিজ নিজ বলয়ে প্রচারণা চালাচ্ছে। এর বাইরে বাংলাদেশী অধ্যুষিত এলাকা ও মার্কেটপ্লেসগুলোতে দেয়ালে দেয়ালে লাগানো হয়েছে বাংলাদেশের স্টাইলে পোস্টার। রেস্টুরেন্টুগুলোতে প্রতিদিন বিকেল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত চলছে নির্বাচনী আড্ডা। নিউইয়র্কে বাংলাদেশীদের কোনো আয়োজনে (রাজনৈতিক ছাড়া) এমন এত মানুষের সংযুক্ত হওয়া ও অর্থ ব্যয়ের কোনো নজির নেই।
এবারের নির্বাচনে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন কমিশন পাঁচটি ভোটকেন্দ্রের ঘোষণা দিয়েছে। এই ভোটকেন্দ্রগুলি হলো ১. উডসাইড (৫৮ গধহড়ৎ, ৫৮—০২ ৩৭ আবহঁব), ২. ওজোনপার্ক (গবলবংঃরপ গধৎয়ঁরংব, ৮৮—০৩, ১০১ আবহঁব), ৩. ব্রুকলিন (শধষধস’ং ঐধষষ, ৯৬ ঈযঁৎপয আবহঁব), ৪. ব্রংক্স (এড়ষফবহ চধষধপব, ১৪৫১ টহরড়হঢ়ড়ৎঃ জড়ধফ) ও ৫. জ্যামাইকা (অহমধহ চধৎঃু ঐধষষ, ৮৯—১৬, ১৭৫ঃয ঝঃৎববঃ, ঝঁরঃব ঈঋ২)।
কোন্ ভোটকেন্দ্রে কারা ভোট দিতে পারবে, তাদের জিপকোড প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। ২৫ অক্টোবর রবিবার প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সকাল ৯টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ হবে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে কোনো ভোটারই ফটো আইডি ছাড়া ভোট দিতে পারবেন না। এছাড়া কমিশন ভোটার, সমর্থক ও প্রার্থীদের জন্য দশটি নিয়ম প্রকাশ করেছে।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার আবু নাসের বলেন, আমরা এ পর্যন্ত নির্বাচন সংক্রান্ত সব কাজ সুন্দরভাবে গুছিয়ে করছি নির্বাচনকে সুষ্ঠু ও সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য করার জন্য। আমাদের উদ্দেশ্য একটি ভাল নির্বাচন উপহার দেয়া। এজন্য আমরা সকলের পক্ষ থেকে সব রকম সহযোগিতা পাচ্ছি। নির্বাচনী কার্যক্রম শেষ হওয়া পর্যন্ত সহযোগিতা যেন অব্যাহত থাকে।
তিনি বলেন, নির্বাচন স্থগিত চেয়ে দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। একটি মামলা ডিসমিস করা হয়েছে। অন্য মামলাটিরও কাল খবর পাওয়া যাবে।
এই নির্বাচনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার আবু নাসের, নির্বাচন কমিশনার বদরুল হক খান, মোহাম্মদ শামসুদ্দীন আজাদ, মোহাম্মদ রুহুল আমিন সরকার, আহবাব চৌধুরী, মিঠু হামিদ ও মিয়া মোহাম্মদ দুলাল।
