সিইসি জানাল || নিউইয়র্ক সিটির ভোট কেন্দ্রে দোভাষী দেয়া হবে

বাঙালী প্রতিবেদনঃ গত সোমবার নিউইয়র্ক সিটির সিভিক এনগেজমেন্ট কমিশন সিইসির রাউন্ডটেবিলে আসন্ন নির্বাচনে এই সিটির বিভিন্ন ভাষাভাষী মানুষ যাতে নিজ নিজ ভাষায় ভোট দিতে পারে কিংবা সাথে দোভাষী নিয়ে যেতে পারে সেইসব সুবিধার কথা তুলে ধরা হয়। অনলাইনে আয়োজিত এইসব তথ্য তুলে ধরেন সিইসির চেয়ার ও এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ড. সারাহ সাঈদ, ভোটার ল্যাংগুয়েজ সার্ভিসেসের ডিরেক্টর আনিলা কোবো, পাবলিক এ্যাফেয়ার্সের ডিরেক্টর জরওয়েল পেরেজ, কনসালট্যান্ট সোফিয়া মেরিট প্রমুখ।

রাউন্ডটেবিলে তারা ইমিগ্রান্ট ভোটারদের ভাষাগত প্রতিবন্ধকতা দূর করে তাদের ভোট প্রদানে সাচ্ছন্দ্য দেয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, নিউইয়র্কবাসীর তাদেব নিজেদেব ভাষায় ভোট দেয়ার অধিকার রয়েছে। আইন অনুযায়ী ইংরেজি না জানা বা স্বল্প জানা ভোটাররা তাদের পছন্দমত দোভাষী ভোটকেন্দ্রে নিয়ে যেতে পারবেন।

তারা জানান, এবার নির্বাচনে প্রধানত ১৩টি ভাষায় সিইসি তাদের ভোটার ল্যাংগুয়েজ এ্যাসিস্ট্যান্স বা ভিএলএ প্রোগ্রামে ভোটকেন্দ্রে দোভাষীর ব্যবস্থা করবে। এই ভাষাগুলির অন্যতম বাংলা। এছাড়াও রয়েছে অলবেনিয়ান, আরবী, চাইনিজ, ফরাসী, হেইতিয়ান ক্রিওল, গ্রিক, ইতালিয়ান, কোরিয়ান, পোলিশ, রুশ, উদুর্ ও ইদ্দিশ।

তারা জানান, এই দোভাষী সার্ভিস ৩ নভেম্বরের মূল নির্বাচন ছাড়াও ২৪ অক্টোবর থেকে ১ নভেম্বর পর্যন্ত আগাম ভোটে প্রদান করা হবে। তবে সব ভোট কেন্দ্রে এই সার্ভিস নাও থাকতে পারে। সিইসির পক্ষ থেকে বাংলা দোভাষী সার্ভিস দেয়া হবে কেবল কুইন্স ও ব্রুকলীনের ভোটকেন্দ্রে। ব্রংক্সের ভোটকেন্দ্রে এই সার্ভিস দেয়ার দায়িত্ব বোর্ড অব ইলেকশনের। সিইসির কর্মকর্তারা বলেন, ৩০ ও ৩১ অক্টোবর এবং ১ নভেম্বর আগাম ভোট প্রদানে ৫০টি ভোটকেন্দ্রে ৩৭ ভাষায় সার্ভিস দেয়া হবে আর ৩ নভেম্বরের মূল নির্বাচনে ১০০টি ভোটকেন্দ্রে ১০৩টি ভাষায় দোভাষী সার্ভিস প্রদান করা হবে।

সিভিক এনগেজমেন্ট কমিশনের ভোটার ল্যাংগুয়েজ এ্যাসিস্ট্যান্স কর্মসূচীর জন্য বিভিন্ন বরোতে দোভাষী হিসাবে কাজ করতে আগ্রহীদের কর্মশালা হয়েছে। বাংলা ভাষায় দোভাষীদের জন্য দুটি কর্মশালা হয়েছে।


মুখ ফোলা মানেই কি কর্টিসল বেশি?

ডা. সজল আশফাক: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘কর্টিসল ফেস’ কথাটি বেশ আলোচিত। মুখ গোল বা ফোলা দেখালেই কেউ কেউ ধরে নেন, শরীরে কর্টিসল বেড়ে গেছে। কিন্তু শুধু মুখের চেহারা দেখে কর্টিসলের মাত্রা নির্ণয় করা যায় না।

মুখ ফোলার একাধিক কারণ থাকতে পারে। কিডনির কিছু সমস্যায় শরীরে অতিরিক্ত তরল জমে চোখের চারপাশ বা মুখ ফুলতে পারে। আবার দীর্ঘদিন বা বেশি মাত্রায় কর্টিকোস্টেরয়েড ওষুধ—যেমন প্রেডনিসোলোন—সেবনে মুখ গোল বা ‘মুন ফেস’ হতে পারে। এটি ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া; একে সরাসরি শরীরের নিজের কর্টিসল বেশি থাকার প্রমাণ বলা যায় না।

ঘুমের অভাব, বেশি লবণ খাওয়া, অ্যালার্জি এবং অন্যান্য কারণেও মুখ ফোলা দেখাতে পারে। এছাড়া কিডনি সমস্যাতেও মুখ কিছুটা ফুলতে পারে। তাই কারণ বুঝতে প্রয়োজনে চিকিৎসকের মূল্যায়ন দরকার। স্টেরয়েড ওষুধ নিজে থেকে হঠাৎ বন্ধ করবেন নাÑবন্ধ করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

মনে রাখুন: মুখ ফোলা মানেই কর্টিসল বেশি নয়।


Related Posts