আমেরিকান প্যারাডক্স: বহুমুখী বিশ্বের পথচলা || ড. মোস্তফা সারওয়ার
মানব ইতিহাসের অন্যতম জটিল এক ভূ—রাজনৈতিক দৃষ্টান্ত হলো আড়াইশো বছর বৃদ্ধ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। কারও কারও চোখে এটি একটি বৈশ্বিক দানব। সে তার অতুলনীয় অর্থনৈতিক ও সামরিক শক্তি ব্যবহার করে পৃথিবীতে প্রভাব বিস্তার করেছে। অন্য দেশের নির্বাচনে করেছে হস্তক্ষেপ। চাপিয়ে দিয়েছে একের পর এক বিধ্বংসী যুদ্ধ। আবার অন্যদের কাছে মনে হয় এটি একটি ‘পাহাড়ের চূড়ার দীপ্তিময় শহর’ (shining city on a hill)। মনে হয় গণতন্ত্র, উদ্ভাবন ও মানবাধিকারের এমন এক বাতিঘর যা বিশ্বকে ফ্যাসিবাদের হাত থেকে রক্ষা করেছে এবং একটি নিয়ম—ভিত্তিক আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে কোটি কোটি মানুষকে দারিদ্র্য থেকে মুক্তি দিয়েছে। আমেরিকার আসল পরিচয় এই দুই চরমপন্থার কোনো একটিতে নয়। আমার ধারণা, এই দুই বিপরীতমুখী সত্তার মধ্যকার চলমান দ্বন্দ্বের মধ্যেই লুকিয়ে আছে আসল পরিচয় ।
আমেরিকার মহানতার ভিত্তি: অগ্রগতি ও বৈশ্বিক নেতৃত্ব
যুক্তরাষ্ট্রের যে কোনো সৎ মূল্যায়নের শুরুতেই মানবজাতির প্রতি এর অসাধারণ অবদানগুলোকে স্বীকার করতে হবে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসস্তূপ থেকে উঠে এসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র একটি বৈশ্বিক কাঠামো তৈরিতে নেতৃত্ব দিয়েছিল। যার মধ্যে রয়েছে জাতিসংঘ (টঘ), শুল্ক ও বাণিজ্য সংক্রান্ত সাধারণ চুক্তি (যা এখন ডঞঙ) এবং আন্তর্জাতিক আইনি কাঠামো। এসবের মূল উদ্দেশ্য ছিল আরেকটি মহাবিপর্যয়কর বৈশ্বিক যুদ্ধ রোধ করা।
অভ্যন্তরীণ এবং আন্তর্জাতিক উভয় ক্ষেত্রেই, আমেরিকার মূল ভিত্তি হলো একটি বৈপ্লবিক সাংবিধানিক কাঠামো। যার মধ্যে রয়েছে ব্যক্তিগত স্বাধীনতা, বাকস্বাধীনতা এবং আইনের শাসনকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। অবশ্য আমাদের ভুললে চলবে না, দেশটির ইতিহাস দাসপ্রথার কালো অধ্যায় এবং আমেরিকার আদিবাসীদের উচ্ছেদের মতো অপরাধে কলঙ্কিত। তবুও আমেরিকান ব্যবস্থার আসল শক্তি হলো এর আত্ম—সংশোধনের ক্ষমতা। নাগরিক অধিকার আন্দোলন (ঈরারষ জরমযঃং গড়াবসবহঃ), বিচার বিভাগীয় সংস্কার এবং তীব্র জনমত গঠনের মধ্য দিয়ে আমেরিকা তার প্রতিষ্ঠাতাদের দেওয়া আদর্শের সাথে বাস্তবতার মেলবন্ধন ঘটাতে ক্রমাগত লড়াই করে গেছে।
তাছাড়া, আমেরিকান পুঁজিবাদের ‘স্বর্ণযুগ’ কেবল পশ্চিমা বিশ্বকেই সমৃদ্ধ করেনি; এটি বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তিগত এবং চিকিৎসা ক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী বিপ্লব ঘটিয়েছে। মার্শাল প্ল্যানের মতো উদ্যোগ এবং পেপফারের (চঊচঋঅজ) মতো আধুনিক কর্মসূচির মাধ্যমে (যা বিশ্বব্যাপী এইচআইভি/এইডস থেকে ২৬ মিলিয়নেরও বেশি মানুষের জীবন বাঁচিয়েছে) যুক্তরাষ্ট্র তার অনন্য বৈশ্বিক উদারতার পরিচয় দিয়েছে।
বিশ্ব সম্পদের চালিকাশক্তি: উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা সংস্কৃতি
সম্ভবত মানবজাতির প্রতি আমেরিকার সবচেয়ে বড় উপহার হলো এর অনন্য উদ্যোক্তা সংস্কৃতি এবং প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন। একটি শক্তিশালী ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ইকোসিস্টেম, ব্যর্থতাকে আর্থিক মৃত্যুর পরিবর্তে শিক্ষার একটি ধাপ হিসেবে দেখার মানসিকতা এবং বিশ্বমানের গবেষণা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সহায়তায় আমেরিকান উদ্ভাবকরা পদ্ধতিগতভাবে মানুষের জীবনযাত্রা, কর্মক্ষেত্র এবং যোগাযোগের ধারণাকে বদলে দিয়েছেন। এই ব্যবস্থার সুফল কেবল মার্কিন সীমানার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি; এটি বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তিকে সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে এনেছে এবং বিপুল পরিমাণ বৈশ্বিক সম্পদ সৃষ্টি করেছে।
আমাদের দৈনন্দিন জীবনে আমেরিকার এই যুগান্তকারী উদ্ভাবনগুলোর প্রভাব নিচে দেওয়া হলো:
সিলিকন বিপ্লব এবং বৈশ্বিক যোগাযোগ: বর্তমানের ডিজিটাল বিশ্ব মূলত আমেরিকান উদ্যোক্তাদের সাহসী পদক্ষেপের ফসল। পার্সোনাল কম্পিউটার (অ্যাপল ও মাইক্রোসফটের হাত ধরে), ইন্টারনেট (যা মার্কিন সামরিক বাহিনীর অজচঅঘঊঞ থেকে বিকশিত) এবং স্মার্টফোন বৈশ্বিক দূরত্বের সীমানাকে সম্পূর্ণ মুছে দিয়েছে। আজ বাংলাদেশ, কেনিয়া বা পেরুর কোনো প্রত্যন্ত গ্রামের একজন ক্ষুদ্র কারিগরও আমেরিকান প্রযুক্তিতে তৈরি স্মার্টফোন এবং ইন্টারনেট ব্যবহার করে সরাসরি লন্ডন বা টোকিওর ক্রেতার কাছে তার পণ্য বিক্রি করতে পারছেন। এর ফলে মধ্যস্বত্বভোগীদের শোষণ দূর করে স্থানীয় অর্থনীতিক সমৃদ্ধ হয়েছে।
জ্ঞান ও বাণিজ্যের গণতন্ত্রীকরণ: আমেরিকান ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলো কীভাবে আমাদের প্রতিদিনের জীবনকে বদলে দিয়েছে তা ভাবলে অবাক হতে হয়। গুগল মানুষের সামগ্রিক জ্ঞানকে ইন্টারনেট সংযোগ থাকা যেকোনো ব্যক্তির জন্য বিনামূল্যে সহজলভ্য করে তুলেছে। অ্যান্ড্রয়েড এবং উইন্ডোজের মতো সফটওয়্যার ইকোসিস্টেমগুলো উন্নয়নশীল দেশগুলোতে স্থানীয় প্রযুক্তি অর্থনীতি গড়ে তোলার ভিত্তি স্থাপন করেছে। যার ফলে লাখ লাখ সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার, লজিস্টিকস এবং ডিজিটাল মার্কেটিং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
সবুজ বিপ্লব (এৎববহ জবাড়ষঁঃরড়হ): বিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে আমেরিকান কৃষিবিজ্ঞানী নরম্যান বোরলাগ এমন কিছু কৃষি গবেষণা উদ্যোগের নেতৃত্ব দেন যা উচ্চ ফলনশীল, রোগ—প্রতিরোধী গম আবিষ্কার করেন। এই প্রযুক্তি মেক্সিকো, পাকিস্তান এবং ভারতে রপ্তানি করার মাধ্যমে এই আমেরিকান নেতৃত্বাধীন ‘সবুজ বিপ্লব’ বিশ্বজুড়ে ১০০ কোটিরও বেশি মানুষকে আসন্ন দুর্ভিক্ষের হাত থেকে রক্ষা করেছিল এবং একসময়ের সাহায্য—নির্ভর দেশগুলোকে স্বনির্ভর খাদ্য উৎপাদনকারী দেশে পরিণত করেছিল।
চিকিৎসা ও জ্বালানি ক্ষেত্রে যুগান্তকারী আবিষ্কার: হিউম্যান জিনোমের ম্যাপিং থেকে শুরু করে অতি দ্রুত এমআরএনএ (সজঘঅ) ভ্যাকসিন প্রযুক্তির বিকাশ বৈশ্বিক অর্থনীতিকে দীর্ঘ স্থবিরতা থেকে বাঁচিয়েছে। আমেরিকান বায়োটেক খাত বিশ্ব স্বাস্থ্যসেবাকে নেতৃত্ব দিচ্ছে। একই সাথে, জিপিএস (এচঝ) প্রযুক্তির বাণিজ্যিকীকরণ যা মূলত একটি মার্কিন সামরিক স্যাটেলাইট সিস্টেম ছিল এবং পরে বিশ্বের জন্য বিনামূল্যে উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। আজ প্রতিদিন বিশ্বব্যাপী শিপিং, বিমান চলাচল, রাইড—শেয়ারিং এবং দুর্যোগ মোকাবিলা ব্যবস্থাকে সচল রাখছে।
ক্ষমতার অন্ধকার দিক: হস্তক্ষেপ এবং এর চড়া মূল্য
তবে, এই অতুলনীয় ক্ষমতার অধিকারী হওয়া অনেক সময়ই মার্কিন নীতিনির্ধারকদের মধ্যে এক ধরনের অহংকার বা ঔদ্ধত্যের জন্ম দিয়েছে। সমালোচকরা দেশটির আগ্রাসী পররাষ্ট্রনীতির দীর্ঘ ইতিহাসের দিকে আঙুল তোলেন, বিশেষ করে স্নায়ুযুদ্ধ এবং নাইন—ইলেভেন (৯/১১) পরবর্তী সময়ে, যখন ওয়াশিংটনের কর্মকান্ড নব্য—উপনিবেশবাদের রূপ নিয়েছিল। ‘চিরস্থায়ী নিরাপত্তা’র এই অন্বেষণ একটি বিশাল সামরিক—শিল্প কমপ্লেক্স (সরষরঃধৎু—রহফঁংঃৎরধষ পড়সঢ়ষবী) এবং বিশ্বজুড়ে প্রায় ৮০টি দেশে ৭৫০টিরও বেশি সামরিক ঘাঁটির এক বিস্তীর্ণ নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে।
এইসব সামরিক হস্তক্ষেপের মানবিক মূল্য আজ ইতিহাসের পাতায় একটি প্রমাণিত সত্য। বিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে গোপন অভিযান ও নির্বাচনে হস্তক্ষেপ থেকে শুরু করে ২০০১ পরবর্তী ইরাক ও আফগানিস্তান যুদ্ধ বর্তমানে এ দেশের নাগরিকদের সমালোচনার তোপে পড়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্রনীতি অনেক সময়ই সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে অস্থিতিশীলতা, অর্থনৈতিক ধ্বংসযজ্ঞ এবং অপরিমেয় মানবিক বিপর্যয় ডেকে এনেছে। এই যুদ্ধগুলোর পেছনে যে যুক্তিই দেখানো হোক না কেন তা সে ‘সন্ত্রাসবাদ বিরোধী যুদ্ধ’ হোক বা ‘গণতন্ত্রের প্রসার’—বিশ্ব সম্প্রদায়ের বড় একটি অংশ একে তেল ও প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর নিয়ন্ত্রণ এবং ভূ—রাজনৈতিক আধিপত্য বজায় রাখার একটি অজুহাত হিসেবেই দেখেছে।
আমেরিকার এই গণতান্ত্রিক বুলি এবং সাম্রাজ্যবাদী কর্মকান্ডের মধ্যকার ব্যবধান বিশ্বজুড়ে গভীর আমেরিকা—বিরোধী মনোভাবের জন্ম দিয়েছে। এটি একটি বেদনাদায়ক প্যারাডক্সকে সামনে আনে: যে দেশ নিজে একটি উপনিবেশবাদ—বিরোধী সংগ্রামের মধ্য দিয়ে স্বাধীন হয়েছিল, সেই দেশই ক্ষেত্রবিশেষে আইএমএফ (ওগঋ) এবং বিশ্বব্যাংকের মতো আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং একতরফা বাণিজ্য চুক্তির মাধ্যমে উন্নয়নশীল দেশগুলোর ওপর অর্থনৈতিক আধিপত্য বিস্তার করেছে।
বহুমুখী (গঁষঃরঢ়ড়ষধৎ) বিশ্বের দিকে যাত্রা
ঐতিহাসিকভাবে, যেকোনো সাম্রাজ্যের উত্থান এবং পতন নির্ভর করে তার অভ্যন্তরীণ সুস্থতা এবং বাহ্যিক প্রতিশ্রুতিগুলো পরিচালনা করার ক্ষমতার ওপর। নোয়াম চমস্কির মতো অনেক পন্ডিত দীর্ঘকাল ধরে যুক্তি দিয়ে আসছেন যে, ভিয়েতনাম যুদ্ধ এবং ২০০৮ সালের আর্থিক সংকটের পর থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পতন ত্বরান্বিত হয়েছে, তবে বাস্তবতা আরও একটু জটিল। আমেরিকা কেবল ভেঙে পড়ছে না; বরং বিশ্বশক্তি নতুন করে ভারসাম্যপূর্ণ হচ্ছে।
১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর যে একমেরু (ঁহরঢ়ড়ষধৎ) বিশ্ব ব্যবস্থার সৃষ্টি হয়েছিল, তা স্বাভাবিক নিয়মেই আজ একটি বহুমুখী (সঁষঃরঢ়ড়ষধৎ) বাস্তবতায় রূপ নিয়েছে। চীনের দ্রুত অর্থনৈতিক উত্থান, অন্যান্য আঞ্চলিক শক্তির পুনরুত্থান এবং পরিবর্তনশীল ভূ—রাজনৈতিক সমীকরণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একক আধিপত্যের অবসান ঘটিয়েছে।
বিশ্বশক্তির ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, ১৯৪৫ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত স্নায়ুযুদ্ধের যুগে বিশ্বব্যবস্থা ছিল মূলত দ্বিমেরু কেন্দ্রিক, যেখানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন একে অপরের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আদর্শিক ও সামরিক দ্বন্দ্বে লিপ্ত ছিল। ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত স্নায়ুযুদ্ধ—পরবর্তী যুগে বিশ্ব একমেরু কাঠামোতে প্রবেশ করে, যা ছিল বিশ্বায়নের দ্রুত বিস্তার এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পরম আধিপত্যের সময়। তবে ২০০৮ সালের পর থেকে বর্তমান আধুনিক যুগে বিশ্বব্যবস্থা আবার পরিবর্তিত হয়ে একটি বহুমুখী বা মাল্টিপোলার রূপ নিয়েছে, যেখানে ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ ঘটেছে এবং চীন, ভারতসহ বিভিন্ন আঞ্চলিক জোটগুলোর শক্তিশালী উত্থান লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
উপসংহার: একটি গর্ব করার মতো দেশ
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কোনো নিখুঁত নায়ক নয়, আবার কোনো ক্ষমার অযোগ্য খলনায়কও নয়। এটি এমন এক বিশাল গুণের অধিকারী জাতি, যা মাঝে মাঝে সাম্রাজ্যবাদী ক্ষমতার প্রলোভনে পথ হারিয়েছে।
বিশ্ব যখন একটি বহুমুখী যুগের দিকে ধাবিত হচ্ছে, তখন আমেরিকার মূল চ্যালেঞ্জ সামরিক শক্তির মাধ্যমে জোর করে নিজের একক আধিপত্য ধরে রাখা নয়, বরং শক্তির প্রদর্শনী বাদ দিয়ে নিজের আদর্শ ও মূল্যবোধের শক্তিতে বিশ্বকে নেতৃত্ব দেওয়া। যারা আমেরিকার জন্য গর্ববোধ করেন, তাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত এর উদ্ভাবনী ক্ষমতা, গণতান্ত্রিক সহনশীলতা এবং এর উদার ও উদ্যোক্তা মানসিকতাকে এগিয়ে নেওয়া। পাশাপাশি অতীতের ভুলগুলো থেকে শিক্ষা নেওয়ার মতো বিনয়ী হওয়া। তবেই আমেরিকা বৈশ্বিক স্থিতিশীলতা এবং মানবজাতির প্রগতির জন্য একটি অপরিহার্য ও ইতিবাচক শক্তি হিসেবে বজায় থাকবে।
ড. মোস্তফা সারওয়ার আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ভূপদার্থবিজ্ঞানী, টেলিভিশন টকশো আলোচক, গীতিকার, ও কবি। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের এলএসইউ নিউ অরলিন্স (খঝট ঘবি ঙৎষবধহং) ইউনিভার্সিটির ‘প্রফেসর ইমেরিটাস’ এবং ডেলগাডো কমিউনিটি কলেজের সাবেক উপাচার্য ও প্রোভোস্ট।
