পার্কচেস্টার মেডিকেলের নতুন ভবন উদ্বোধন আগামী মাসে
বাঙালী প্রতিবেদনঃ পার্কচেস্টারর হোয়াইট প্লেইন্স রোডের এই এলকায় পার্কচেস্টার জামে মসজিদ, কম্যুনিটি লিডার এবং কম্যুনিটি বোর্ড ৯এর চেয়ার মোহাম্মদ এন. মজুমদারের অফিস, এটর্নি ব্রুস ফিসারের ল’ অফিস, আফতাব গ্রোসারি, সিনার্জি প্রেপ টিউটারিয়াল ইত্যাদি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশী বাস করেন এই এলাকায়। এর খুব কাছেই পার্কচেস্টার সাবওয়ে স্টেশন আর পার্কচেস্টার কন্ডোর সারি সারি ভবন।
পার্কচেস্টার মেডিকেল এই এলাকায় ২০০২ সাল থেকে বাংলাদেশীদের প্রাইমারি আর স্পেশালটি চিকিৎসা দিয়ে আসছে। কিন্তু রোগীদের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় এর পিছনে নির্মাণ করা হয়েছে তিনতলা ভবন। ১২,০০০ বর্গফুটের এই নতুন ভবনে বর্তমানের চেয়ে ৪/৫ গুণ রোগীর চিকিৎসা সেবা প্রদান সম্ভব হবে।
পার্কচেস্টার মেডিকেলের সিইও এমি পোলান গত মঙ্গলবার বিকেলে নতুন ভবন ঘুরে ঘুরে দেখানোর সময় জানান এই নতুন সেন্টারে থাকবে ১৪টি একজাম রুম, ফিজিকেল থেরাপির জন্য ১২টি বেড। থাকছে আল্ট্রাসাউন্ড রুম, নিউক্লিয়ার স্ট্রেস টেস্টিংসহ অন্যান্য যাবতীয় ব্যবস্থা। তিনি জানান েহোয়াইট প্লেইন্স রোডস্থ বর্তমান অফিসেই থাকবে প্রাইমারি একজাম রুম। নতুন ভবনের প্রবেশপথ গ্লিজন এভেন্যুতে হলেও বর্তমান ভবনের সাথে নতুন ভবনের সংযোগ থাকবে।
এমি পোলান জানান, পার্কচেস্টার মেডিকেলে ২৮ জন কমীর্র মধ্যে ২০ জনই বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত। তিনজন চিকিৎসকও বাংলাদেশী। নতুন ভবন উদ্বোধন হবে আগামী দেড় মাসের মধ্যে। ইতোমধ্যেই ফার্নিচারের অধিকাংশ সেটআপ হয়ে গেছে। ফিনিশিংও শেষ পর্যায়ে। এখন কেবল ইকুইপমেন্ট সেটআপ করা হবে।
বর্তমান মেডিকেল সেন্টারে দেখা গেল ওয়েটিং রিসেপশন এলাকায় কোনো আসন খালি নেই, আবহাওয়া ভাল থাকায় বেশ কয়েকজন অপেক্ষা করছেন বাইরের চেয়ারে বসে। রিসেপশনে ব্যস্ত কমীর্রা। ডাক্তার নার্সরাও স্বাগত জানাচ্ছেন রোগীদের। একজন ডাক্তারের জন্য বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে দেখা পাওয়া গেল না। এমি পোলান জানালেন, ব্যস্ত থাকলেও ডাক্তাররা একজন রোগীকে দেখার ও একজামের জন্য যতক্ষণ প্রয়োজন ততক্ষণই সময় দেন।
ফেরার পথে অপেক্ষমান কয়েকজন রোগীর সাথে কথা বলে জানা গেল, তারা এই মেডিকেল সেন্টারের ব্যবস্থাপনায়, আচরণে এবং চিকিৎসায় সন্তুষ্ট।
বাইরে হেলথ ইন্সুরেন্স কোম্পানি ভিএনএসএ’র ছাতা দেখা গেল। টেবিলে কমীর্রা ইন্সু্যরেন্স নিয়ে কথা বলছেন রোগীদের স্বজনদের সাথে।
