পলিটিকোর প্রতিবেদন || ইমিগ্রেশন প্রশ্নে নমনীয় প্রেসিডেন্ট
বাঙালী প্রতিবেদনঃ দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার প্রশাসনকে নির্দেশ দেন অনতিবিলম্বে বিপুল সংখ্যক আইস এজেন্ট নিয়োগ দিয়ে তাদের যেন দ্রুত প্রশিক্ষণ দেয়া হয় আনডকুমেন্টেড ইমিগ্রান্টদের এবং অপরাধীদের ধরার জন্য। বুধবার পলিটিকো এক প্রতিবেদনে জানাল ট্রাম্প প্রশাসন উক্ত বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচী সংক্ষিপ্ত করেছে। তার পরিবর্তে কর্মরত আগের ইমিগ্রেশন এনফোর্সমেন্ট কর্মকর্তাদেরই ফিল্ডে পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। পলিটিকো বলছে, যাদের প্রশিক্ষণ দেয়ার কথা (নতুন বা পুরনো কর্মকর্তা) ৭২ ঘন্টা তাদের প্রশিক্ষণের সময়সূচী কমিয়ে ৪২—৫২ ঘন্টায় নামানো হয়েছে। উল্লেখ্য গত বছর ডিপোর্টেশনসহ এর সাথে সংশ্লিষ্ট খাতে খরচের জন্য ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটিকে বাজেটে বিপুল অর্থ বরাদ্দ দেয়া হয়।
পলিটিকো বলছে, ট্রাম্প প্রশাসনের ইমিগ্রেশন প্রশ্নে পিছিয়ে আসার কারণ, আইসের প্রতি আমেরিকান জনগণের বিরূপ মনোভাব, রাজনৈতিক ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্টের রেটিং নিম্নমুখী হওয়া এবং ইমিগ্রেশন সমস্যার সমাধান ভুলভাবে করা ইত্যাদি। এ কারণে ইমিগ্রেশন বিষয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের রেটোরিক আগের চেয়ে এখন অনেক নমনীয়। বিশেষ করে হোমল্যান্ড সেক্রেটারি পদ থেকে ক্রিস্টি নোমের বিদায়ও এই মনোভাবের অংশ।
ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটির একজন মুখপাত্র পলিটিকোকে জানান, আইস প্রশিক্ষণ কর্মসূচী বন্ধ হয়নি। এখন বরং আরো ব্যাপকভাবে হচ্ছে। তবে বেশিরভাগই অনলাইনে। এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মেন্টর, কোচ ও প্রশিক্ষকদের কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। এক কংগ্রেশনাল শুনানিতে কানেকটিকাট থেকে নির্বাচিত ডেমোক্রেটিক সিনেটর রিচার্ড ব্লুমেনথাল এবং ক্যালিফোর্নিয়া থেকে নির্বাচিত কংগ্রেস সদস্য রবার্ট গারসিয়া বর্তমানে আইস কর্মকর্তাদের বেসিক ট্রেনিং প্রোগ্রামকে অসম্পূর্ণ, ক্রুটিপূর্ণ এবং ভঙ্গুর বলে উল্লেখ করেন। তারা একটি ডকুমেন্ট তুলে ধরে বলেন, ২০২৫ সালের জুলাই মাসে যেখানে ৭২ দিনে ৫৮৪ ঘন্টা প্রশিক্ষণ দেয়া হয়, সেখানে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে সিলেবাস বলছে মাত্র ৪২ দিন ৩৩৬ ঘন্টা প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে।
