যুক্তরাষ্ট্রে ইলেকট্রনিক হ্যাকিং কমলেও || পেপার চেক নিয়ে জালিয়াতি বেড়েছে
বাঙালী প্রতিবেদনঃ আমেরিকায় ২০২১ সালে যেখানে কাগজের ব্যাংক চেক জালিয়াতি বা চুরি হয়েছে ৩৫০,০০০টি, পরের বছর তা বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে। গত বছর এই সংখ্যা অস্বাভাবিক বেড়েছে। বুধবার এই খবরটি দিয়ে ওয়াশিংটন পোস্ট বলছে, পেপার চেকের চেয়ে এখন ই—চেক, এসিএইচ অটোমেটিক পেমেন্টসহ অন্যান্য ইলেকট্রনিক সিস্টেমে পেমেন্ট অনেক নিরাপদ। যদিও কয়েক বছর আগে সাইবার ক্রাইমের দৌরাত্ম বেড়ে যাওয়ায় অনেকেই ইলেকট্রনিক পদ্ধতি ব্যবহার করতে শংকিত হতো। কিন্তু বিভিন্ন ধরনের জটিল পাসওয়ার্ড ব্যবহারসহ নিরাপত্তা বাড়ানোর কারণে হ্যাকিংএর হার অনেক কমেছে। ফলে দুবৃর্ত্তরা এখন পেপার চেক জালিয়াতির পথ ধরেছে বলে লিখছে পোস্ট।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১০ সালে আমেরিকায় মাত্র ২,২০০টি হাই ভল্যুম মেইল চুরির ঘটনা ঘটেছে, আর ২০২৩ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৯,০০০এ। এমন কি আইআরএস এর মতো প্রতিষ্ঠানে পাঠানো ট্যাক্সের চেকও জালিয়াতির খবর দিয়েছে আইআরএস মুখপাত্র। এর বাইরে ব্যাপক হারে জালিয়াতি হয় ট্যাক্স রিফান্ডের চেক। তবে এইসব চেক জালিয়াতরদেও কেউ কেউ শেষ পর্যন্ত ধরা পড়ে।
ওয়াশিংটন পোস্ট বলছে, মেইলে পাঠানো পেপার চেক চুরি ঐ নামে বা বেনামে বা সিমিলার নামে ভুয়া একাউন্ট খুলে জমা দিয়ে সেই টাকা গায়েব করা হয়। এমন কি চেক ক্যাশিং থেকেও ভুয়া আইডি বানিয়ে চেক ক্যাশ করা হয়। অনেকে অভিযোগ করেছে চেক ক্যাশিং বা ভুয়া একাউন্টের ব্যাপারে ব্যাংক তেমন কঠোর হলে এমন ঘটনা ঘটত না।
ওয়াশিংটন পোস্ট কয়েকটি পরামর্শ দিয়েছে চেক জালিয়াতি রোধে। যেমন, প্রতিদিন মেইল আসার পরপরই মেইল তুলে নেয়া, বেশিদিন মেইলবক্সে মেইল না রাখা, শহরের বাইরে গেলে পোস্ট অফিসকে মেইল ঐ সময়ের জন্য ডেলিভারি না করার অনুরোধ, চেক মেইলের জন্য সিকিউরিটি এনভেলপ ব্যবহার করা, চেক মেইল করার জন্য পোস্ট অফিসের ভেতরে অবস্থিত স্লটে ফেলতে হবে, বাইরের নীল মেইল বক্সে নয়।
