নাকের অ্যালার্জি
ডা. আলমগীর মো. সোয়েব ঃ শীতের সময়টায় ঠাণ্ডা—সর্দি, নাক জ্যাম, হালকা গলা ব্যথা, চোখ লাল বা চুলকাতে দেখা যায়। যদি এক সপ্তাহের মধ্যে ভালো না হয় কিংবা বারবার এ রকম হতে থাকে, তবে ধরে নিতে পারেন আপনার অ্যালার্জিজনিত সমস্যা আছে। নিন বিশেষ কিছু ব্যবস্থা ও চিকিৎসকের পরামর্শ।
কারণ
এটি অ্যালার্জিজনিত নাকের প্রদাহ। ধুলাবালি, ধেঁায়া, কিছু ভাইরাস—ব্যাকটেরিয়াজাতীয় জীবাণু, ঠাণ্ডা—গরমসহ বিভিন্ন ধরনের অ্যালার্জি উদ্রেককারী উপাদান এর কারণ। সাধারণত শীতের শুরুতে এবং শেষের দিকে এটি বেশি হয়ে থাকে। তবে গরমের সময়ও তাপমাত্রার তারতম্য ও ধুলাবালির কারণে এটি বেড়ে যেতে পারে। পরিবেশদূষণ যত বাড়ছে অ্যালার্জিজনিত এ সমস্যাগুলো ততই বাড়ছে। এ ছাড়া রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেলেও এটা বেড়ে যেতে পারে। এটা সাধারণত বংশগতভাবে মা—বাবা থেকে সন্তানদের মধ্যে আসতে পারে।
তবে অনেক সময় পেশাগত ও পরিবেশগত কারণেও হতে পারে।
লক্ষণ: অনবরত বা অনিয়ন্ত্রিত হাঁচি, নাক চুলকানো, নাক দিয়ে পানি পড়া এবং নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া, কারো কারো আবার চোখ দিয়ে পানি পড়ে এবং চোখ লাল হয়ে যায়, চোখ চুলকায়, এ ছাড়া আরো অন্যান্য উপসর্গও দেখা দেয়। এতে শরীরে ক্লান্তি ভাব চলে আসে। কখনো কখনো মাথা ব্যথা, মাথা ভার ভার লাগা, কান বন্ধ হয়ে যাওয়া ইত্যাদি হতে পারে। চিকিৎসা: ● ঠাণ্ডা খাবেন না, ঠাণ্ডা লাগাবেন না। ঠাণ্ডা খাবার এড়িয়ে চলুন। ফ্রিজের ঠাণ্ডা পানীয় ও বরফ আইসক্রিম খাওয়া পরিহার করুন। ● ঘরের বাইরে বের হলে নিয়মিত মাস্ক ব্যবহার করুন। পশম বা উলের তৈরি কাপড়, মাফলার, টুপি ইত্যাদি পরিধান পরিহার করুন (এতে ধুলাবালি সহজেই লেগে থাকে)। ● দিনে ১—২ বার স্টিম ইনহেলেশন নিন কিংবা গরম পানির ভাপ নাক দিয়ে টানুন ও মুখ দিয়ে ছাড়ুন।
ডা. আলমগীর মো. সোয়েব ঃ শীতের সময়টায় ঠাণ্ডা—সর্দি, নাক জ্যাম, হালকা গলা ব্যথা, চোখ লাল বা চুলকাতে দেখা যায়। যদি এক সপ্তাহের মধ্যে ভালো না হয় কিংবা বারবার এ রকম হতে থাকে, তবে ধরে নিতে পারেন আপনার অ্যালার্জিজনিত সমস্যা আছে। নিন বিশেষ কিছু ব্যবস্থা ও চিকিৎসকের পরামর্শ।
কারণ
এটি অ্যালার্জিজনিত নাকের প্রদাহ। ধুলাবালি, ধেঁায়া, কিছু ভাইরাস—ব্যাকটেরিয়াজাতীয় জীবাণু, ঠাণ্ডা—গরমসহ বিভিন্ন ধরনের অ্যালার্জি উদ্রেককারী উপাদান এর কারণ। সাধারণত শীতের শুরুতে এবং শেষের দিকে এটি বেশি হয়ে থাকে। তবে গরমের সময়ও তাপমাত্রার তারতম্য ও ধুলাবালির কারণে এটি বেড়ে যেতে পারে। পরিবেশদূষণ যত বাড়ছে অ্যালার্জিজনিত এ সমস্যাগুলো ততই বাড়ছে। এ ছাড়া রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেলেও এটা বেড়ে যেতে পারে। এটা সাধারণত বংশগতভাবে মা—বাবা থেকে সন্তানদের মধ্যে আসতে পারে।
তবে অনেক সময় পেশাগত ও পরিবেশগত কারণেও হতে পারে।
লক্ষণ: অনবরত বা অনিয়ন্ত্রিত হাঁচি, নাক চুলকানো, নাক দিয়ে পানি পড়া এবং নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া, কারো কারো আবার চোখ দিয়ে পানি পড়ে এবং চোখ লাল হয়ে যায়, চোখ চুলকায়, এ ছাড়া আরো অন্যান্য উপসর্গও দেখা দেয়। এতে শরীরে ক্লান্তি ভাব চলে আসে। কখনো কখনো মাথা ব্যথা, মাথা ভার ভার লাগা, কান বন্ধ হয়ে যাওয়া ইত্যাদি হতে পারে। চিকিৎসা: ● ঠাণ্ডা খাবেন না, ঠাণ্ডা লাগাবেন না। ঠাণ্ডা খাবার এড়িয়ে চলুন। ফ্রিজের ঠাণ্ডা পানীয় ও বরফ আইসক্রিম খাওয়া পরিহার করুন। ● ঘরের বাইরে বের হলে নিয়মিত মাস্ক ব্যবহার করুন। পশম বা উলের তৈরি কাপড়, মাফলার, টুপি ইত্যাদি পরিধান পরিহার করুন (এতে ধুলাবালি সহজেই লেগে থাকে)। ● দিনে ১—২ বার স্টিম ইনহেলেশন নিন কিংবা গরম পানির ভাপ নাক দিয়ে টানুন ও মুখ দিয়ে ছাড়ুন।
তবে নাকের হাড় বাঁকা, মাংস বৃদ্ধি, পলিপ, ঘন ঘন সাইনুসাইটিস, নাক ডাকা, স্লিপ এপনিয়া ইত্যাদি থাকলে সমস্যা বেশি হতে পারে। এ ক্ষেত্রে আপনি কাছের যেকোনো একজন ইএনটি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসককে দেখান। পরামর্শের জন্য যোগাযোগঃ মেডেক্স ডায়াগনস্টিক এন্ড ট্রিটমেন্ট সেন্টার— ৭১৮—২৭৫—৮৯০০
তবে নাকের হাড় বাঁকা, মাংস বৃদ্ধি, পলিপ, ঘন ঘন সাইনুসাইটিস, নাক ডাকা, স্লিপ এপনিয়া ইত্যাদি থাকলে সমস্যা বেশি হতে পারে। এ ক্ষেত্রে আপনি কাছের যেকোনো একজন ইএনটি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসককে দেখান। পরামর্শের জন্য যোগাযোগঃ মেডেক্স ডায়াগনস্টিক এন্ড ট্রিটমেন্ট সেন্টার— ৭১৮—২৭৫—৮৯০০
