জাতিসংঘে ট্রাম্প: কূটনীতি নয় আলটিমেটাম || ড. জীবন বিশ্বাস নিউইয়র্ক

২২ সেপ্টেম্বর (২০২৬) নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে দাঁড়িয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাজনৈতিক ভাষার এক গভীর বৈপরীত্য সৃষ্টি করলেন। ১৯৪৫ সালে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল আইনের মাধ্যমে ক্ষমতাকে সংযত করা, রাষ্ট্রসমূহের সার্বভৌম সমতা রক্ষা করা এবং আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ নিষ্পত্তির পথ নির্মাণের জন্য। অথচ সেই প্রতিষ্ঠানের সবচেয়ে দৃশ্যমান মঞ্চ থেকেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ‘শুধু আলোচনার ভাষা নয়’, ‘নিশ্চিহ্ন’ করে দেওয়ার ভাষাও উচ্চারণ করলেন। বৈপরীত্যটি আরও প্রকট হয়ে ওঠে, কারণ উদ্বোধনী পর্বে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেছিলেনÑশান্তির জন্য প্রয়োজন আইনের দ্বারা ক্ষমতার সংযম; আর সাধারণ পরিষদের সভাপতি জাতিসংঘকে অসম্পূর্ণ হলেও ‘অপরিহার্য’ প্রতিষ্ঠান হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন। জাতিসংঘে ট্রাম্পের অসংযত ভাষণ প্রসংগেই আজকের উপসম্পাদকীয়।

ট্রাম্পের বক্তৃতার সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ অংশ ছিল ইরানকে ঘিরে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ২৮ ফেব্রুয়ারি অপারেশন এপিক ফিউরি শুরু করার পর যে যুদ্ধের সূচনা হয়েছিল, সেপ্টেম্বর নাগাদ তা প্রায় সাত মাস অতিক্রম করে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা, আন্তর্জাতিক নৌ—বাণিজ্য, জ্বালানি বাজার এবং ইরানের অর্থনৈতিক জীবনে গভীর প্রভাব ফেলেছে। জাতিসংঘের মঞ্চে ট্রাম্প পরিস্থিতিকে প্রায় দুই চরম বিকল্পে নামিয়ে আনলেন। ইরানকে পুনর্গঠনের সুযোগ দিয়ে কোনো চুক্তি হবে, নাকি তিনি এই ‘ইসলামি প্রজাতন্ত্রকে নিশ্চিহ্ন’ করবেন? পরক্ষণেই তাঁর প্রশ্নÑতিনি কি তাদের ‘নরকে নিক্ষেপ’ করবেন? একই সঙ্গে তিনি দাবি করলেন, নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর একটি সমঝোতা হতে পারে, কারণ তাঁর ভাষ্যমতে তেহরান অপেক্ষা করছে নির্বাচনের ফল দেখার জন্য। কিন্তু ইরানের কৌশল সত্যিই মার্কিন নির্বাচনের ফলের ওপর নির্ভর করছেÑস্বাধীনভাবে যাচাইকৃত তথ্যে এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এটি ছিল ইরানের হিসাব সম্পর্কে ট্রাম্পের একেবারেই নিজস্ব ব্যাখ্যা।

এই বক্তৃতার মধ্যেই যেন অস্বাভাবিক ঘনত্বে ধরা পড়ল চাপ—নির্ভর কূটনীতির মৌলিক বৈপরীত্য। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের তত্ত্বে এই কূটনীতি বলতে বোঝায়, প্রতিপক্ষের আচরণ পরিবর্তনের জন্য নির্দিষ্ট দাবি, শাস্তির বিশ্বাসযোগ্য হুমকি এবং একই সঙ্গে আলোচনার একটি পথ খোলা রাখা। আলেকজান্ডার জর্জ এই কৌশলকে নিছক সীমাহীন বলপ্রয়োগ থেকে আলাদা করেছিলেন, কারণ এখানে চাপের পাশাপাশি প্ররোচনা ও সমঝোতার উপাদানও থাকে। পরবতীর্ গবেষণাতেও নির্দিষ্ট রাজনৈতিক লক্ষ্য অর্জনের উদ্দেশে বলপ্রয়োগের হুমকি বা সীমিত বলপ্রয়োগকে কোয়েসিভ ডিপ্লোমেসির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। ট্রাম্পের ভাষা এই তত্ত্বকে প্রায় তার শেষ সীমানায় নিয়ে গেলÑএখানে কূটনীতি এসেছে চাপের অনুপস্থিতিতে নয়, সম্ভাব্য বিপুল ধ্বংসের ছায়ার নিচে।

কিন্তু বক্তৃতাকে ঘিরে একই দিনের ঘটনাগুলো দেখিয়েছে, কঠোর ভাষা এবং কূটনীতি একই সময়ে চলমান ছিল। ট্রাম্প ইরান প্রসঙ্গে প্রবেশ করার সঙ্গে সঙ্গে ইরানি প্রতিনিধিদলের অধিকাংশ জ্যেষ্ঠ সদস্য সাধারণ পরিষদের কক্ষ ত্যাগ করেন; একজন নিম্নপর্যায়ের কূটনীতিক শেষ পর্যন্ত উপস্থিত ছিলেন বলে সংবাদে জানা যায়। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি তখন নিউইয়র্কে থাকলেও ট্রাম্পের বক্তৃতার সময় কক্ষে ছিলেন না। অথচ কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ট্রাম্প জানান, মার্কিন ও ইরানি প্রতিনিধিরা কূটনৈতিক মাধ্যমে দীর্ঘ আলোচনা করেছেন। পরবর্তী সংবাদে দেখা যায়, কাতারের মধ্যস্থতায় হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করা, নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা এবং উত্তেজনা প্রশমনের শর্ত নিয়ে পরোক্ষ আলোচনা অব্যাহত ছিল। ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ইরান তার সর্বশেষ প্রস্তাবের আনুষ্ঠানিক মার্কিন জবাবও পেয়েছে।

এই কৌশলের দ্বিতীয় বাহু হচ্ছে অর্থনৈতিক চাপ। ২০২৬ সালের আগস্টে ওয়াশিংটনের ‘ঙঢ়বৎধঃরড়হ ঊপড়হড়সরপ ঙঁঃপধংঃ’ প্রকাশ্যভাবেই ইরানের আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ও আর্থিক সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার উদ্দেশে শুরু করা হয়। এরপর মার্কিন ট্রেজারি লাইসেন্সিং নীতি কঠোর করে; বিমান পরিবহন, ব্যাংকিং, ইরান—সমর্থিত সংগঠনের অর্থায়ন ও সামরিক সরঞ্জাম সংগ্রহের নেটওয়ার্ককে নজরদারির আওতায় আনে এবং বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ংবপড়হফধৎু ংধহপঃরড়হং—এর ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। ফলে নিষেধাজ্ঞাকে শুধু যুদ্ধের বিকল্প হিসেবে দেখলে বর্তমান বাস্তবতা ধরা পড়ে না। এখানে অর্থনৈতিক শাস্তি একই সঙ্গে দরকষাকষির হাতিয়ার এবং সামরিক চাপের সহায়ক শক্তি হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। কিন্তু এর অভিঘাত শুধু রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে থেমে থাকে না; বাণিজ্য ও আর্থিক লেনদেন ব্যাহত হওয়ায় ওষুধের ঘাটতি ও মূল্যবৃদ্ধিও তীব্র হয়েছে, যদিও মানবিক পণ্য আনুষ্ঠানিকভাবে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার প্রধান লক্ষ্য নয়।

আমেরিকার অভ্যন্তরীণ রাজনীতি এই সমীকরণকে আরও জটিল করে তুলেছে। নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন, জ্বালানির বাড়তি মূল্য, জনমতের সংশয় এবং প্রেসিডেন্টের যুদ্ধক্ষমতা নিয়ে কংগ্রেসে নতুন বিতর্কÑসবই এখন ইরান যুদ্ধের সঙ্গে জড়িয়ে গেছে। ২৪ সেপ্টেম্বর সিনেট ৪৯—৫০ ভোটে ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক অভিযান বন্ধ করার লক্ষ্যে আরেকটি ওয়ার—পাওয়ার রেজোলিউশন প্রত্যাখ্যান করে; অধিকাংশ ডেমোক্র্যাটের সঙ্গে চারজন রিপাবলিকানও প্রস্তাবটির পক্ষে ছিলেন। অতএব, তেহরান মার্কিন নির্বাচন দেখেই সিদ্ধান্ত নিচ্ছেÑট্রাম্পের এই দাবি যাচাইকৃত না হলেও যুদ্ধ ও দেশীয় রাজনীতির গভীর সম্পর্ক অস্বীকার করার উপায় নেই। দীর্ঘ যুদ্ধের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক মূল্য এখন যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরেও পরিশোধিত হচ্ছে।

কিউবার প্রসঙ্গ কোয়ের্সিভ স্টেটক্র্যাফ্ট—এর আরেকটি চাপ, তবে ঐতিহাসিকভাবে ভিন্ন, রূপ তুলে ধরে। ট্রাম্প কিউবাকে ‘সম্পূর্ণ ব্যর্থ রাষ্ট্র’ বলে অভিহিত করেন। তিনি বলেন দেশটির কমিউনিস্ট সরকার অভূতপূর্ব চাপের মুখে, ঘোষণা করেন ‘এর পতন হবেই’ এবং আরও বলেনÑ ‘আমেরিকায় কখনোই কম্যুনিজম আসবে না, তবে কিউবাতে স্বাধীনতা আসছে’। এরপর কিউবার প্রতিনিধিদলও সভাকক্ষ ত্যাগ করে। এই ভাষার পেছনে রয়েছে দীর্ঘ ইতিহাসথ১৯৫৯ সালের ফিদেল ক্যাস্ত্রোর বিপ্লব, ছয় দশকেরও বেশি সময়ের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, সংঘাত, বিচ্ছিন্নতার মধ্যেও মাঝেমধ্যে কূটনৈতিক উষ্ণতা, এবং কিউবার সরকার পরিবর্তন নিয়ে ওয়াশিংটনের পুরনো বিতর্ক ছাড়াও আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রসঙ্গ। মার্কিন নিষেধাজ্ঞা আন্তর্জাতিক পরিসরে আজও গভীরভাবে বিতর্কিত: ২০২৫ সালের অক্টোবরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ১৬৫—৭ ভোটে, ১২টি বিরতিসহ, অবরোধ প্রত্যাহারের আহ্বান জানানোর প্রস্তাব গ্রহণ করে।

হাভানা পাল্টা অভিযোগ করেছে যে মার্কিন চাপ কিউবার সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত এবং নিষেধাজ্ঞা ও জ্বালানি সরবরাহের প্রতিবন্ধকতা দেশটির সংকটকে আরও গভীর করছে। তবে মার্কিন অর্থনৈতিক চাপের ব্যাপকতা স্বাধীন উৎসেও নথিবদ্ধ হয়েছে; একই সঙ্গে কিউবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রুনো রদ্রিগেস নিষেধাজ্ঞার তীব্র সমালোচনা করেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের আলোচনার ইচ্ছা জানিয়েছেন। জাতিসংঘে বক্তৃতার মাত্র চার দিন পর ট্রাম্প নিজেও ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র ও কিউবার মধ্যে সমঝোতার সম্ভাবনা ব্যক্ত করেন এবং সামরিক হস্তক্ষেপের প্রয়োজন নাও হতে পারে বলে ইঙ্গিত দেন। এখানেও দেখা যায় একই সমীকরণ—হুমকি এবং আলোচনা পাশাপাশি।

এই সমান্তরালতা একটি আইনগত প্রশ্নও সামনে আনে। জাতিসংঘ সনদের ২(৪) অনুচ্ছেদ সদস্যরাষ্ট্রগুলোকে অন্য কোনো রাষ্ট্রের ভূখন্ডগত অখন্ডতা বা রাজনৈতিক স্বাধীনতার বিরুদ্ধে বলপ্রয়োগ অথবা বলপ্রয়োগের হুমকি থেকে বিরত থাকতে বলে। তবে কোনো নির্দিষ্ট প্রেসিডেন্টীয় বক্তব্য আন্তর্জাতিক আইনের অর্থে নিষিদ্ধ ‘ঃযৎবধঃ ড়ভ ভড়ৎপব’ কি না, তা নির্ধারণের জন্য বক্তব্যের প্রেক্ষাপট, উদ্দেশ্য, চলমান সংঘাত এবং আত্মরক্ষার দাবিসহ বিস্তৃত আইনগত বিশ্লেষণ প্রয়োজন। একইভাবে অন্য কোনো সরকার ‘পড়ে যাবে’ বলে ভবিষ্যদ্বাণী করাই যে সামরিক রেজিম—চেঞ্জ পলিসির আনুষ্ঠানিক ঘোষণাÑএমন সিদ্ধান্তও প্রমাণ ছাড়া টানা উচিত নয়। রাজনৈতিক ভাষা অস্থিতিশীলতা বাড়াতে পারে; কিন্তু সব রাজনৈতিক ভাষাই স্বয়ংক্রিয়ভাবে আইনগত নীতিতে পরিণত হয় না।

ইরান ও কিউবার ওয়াকআউটকে নিছক কূটনৈতিক নাটক বলেও উড়িয়ে দেওয়া যায় না। বহুপাক্ষিক কূটনীতির নিজস্ব আচার—ব্যবস্থার ভেতরে ওয়াকআউটও এক ধরনের ভাষাÑরাষ্ট্র সভাকক্ষ থেকে শারীরিক উপস্থিতি প্রত্যাহার করে প্রতিবাদ জানায়, কিন্তু প্রতিষ্ঠানটির সদস্যপদ বা কূটনৈতিক পরিসর ত্যাগ করে না। এই অর্থে ঘটনাগুলো জাতিসংঘের দুর্বলতা এবং প্রয়োজনীয়তাÑদুটিই একসঙ্গে প্রকাশ করে। কোনো রাষ্ট্র জাতিসংঘের কক্ষে বলা কথা প্রত্যাখ্যান করতে সভাকক্ষ ত্যাগ করে ঠিক সেই কারণেই যে, ওই কক্ষ এখনও এমন এক জায়গা, যেখানে ভাষা বিশ্বজনীন শ্রোতা এবং কূটনৈতিক ওজন অর্জন করে।

অতএব ট্রাম্পের বক্তৃতা শুধু একজন প্রেসিডেন্টের ব্যক্তিগত রাজনৈতিক অভিলাষ প্রকাশ করে না; এর ভেতরে বৃহত্তর আন্তর্জাতিক রূপান্তরের ছাপও আছে। তাঁর অতিশয় তীব্র ভাষার প্রতি ব্যক্তিগত ঝোঁক নিঃসন্দেহে স্বতন্ত্র, কিন্তু সামগ্রিক কৌশলগত পরিবেশ আরও বিস্তৃতÑসামরিক ক্ষমতা, নিষেধাজ্ঞা, বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থা থেকে বিচ্ছিন্নকরণ, সমুদ্রপথের নিয়ন্ত্রণ, বৃহৎ শক্তির প্রতিযোগিতা এবং লেনদেন—নির্ভর দরকষাকষি ক্রমেই একে অন্যের সঙ্গে মিশে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে চাপ প্রয়োগ নতুন নয়; ২২ সেপ্টেম্বর যা বিশেষভাবে লক্ষণীয় ছিল, তাহলোÑ ক্ষমতার ওপর সীমারেখা টানার জন্য সৃষ্টি করা প্রতিষ্ঠানের মঞ্চেই সেই চাপের ভাষা এত প্রকাশ্য হয়ে ওঠা।

ফলে ট্রাম্পের বক্তৃতাটি বিশ্বে সামনে যে গভীরতম প্রশ্ন রেখে যায় তা এই নয় যে কূটনীতি ও চাপ একসঙ্গে চলতে পারে কি নাÑইতিহাসে তারা বরাবরই সহাবস্থান করেছে। প্রশ্নটি হলো, যখন আলোচনার প্রতিশ্রুতি এবং ধ্বংসের ভাষা প্রায় একই নিঃশ্বাসে উচ্চারিত হয়, তখন কূটনীতি কি নিজের জন্য যথেষ্ট স্বাধীন পরিসর ধরে রাখতে পারে? জাতিসংঘ ক্ষমতাকে বিলুপ্ত করতে পারে না। তার অপেক্ষাকৃত বিনয়ী অথচ অপরিহার্য দায়িত্ব হলো, ক্ষমতাই যেন রাষ্ট্রসমূহের বোঝার একমাত্র ভাষা হয়ে না ওঠে। কূটনীতির মঞ্চ যখন আলটিমেটামের মঞ্চের মতো শোনাতে শুরু করে, তখন এই পার্থক্য আর নিছক আনুষ্ঠানিক থাকে না, তা হয়ে ওঠে সভ্যতার প্রশ্ন।



Related Posts