চলে গেলেন মূলধারার তরুণ আলোকচিত্রী ওয়াসি ফেরদৌস

বিশেষ প্রতিবেদনঃ উদীয়মান আলোকচিত্রী ওয়াসি ফেরদৌস ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে নিউইয়র্কে পরলোকগমন করেছেন (ইন্নালিল্লাহে .. রাজেউন) মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল মাত্র ৩১ বছর। অল্প সময়ের মধ্যেই নিউইয়র্কের সৃজনশীল পরিমন্ডলে তিনি নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি কাজের মাধ্যমে আলাদা পরিচিতি গড়ে তুলেছিলেন। ডিজিটাল স্থিরচিত্রদুই মাধ্যমেই সমান দক্ষতার সঙ্গে কাজ করতেন। তিনি চৎধঃঃ ওহংঃরঃঁঃব ফটোগ্রাফি নিয়ে পড়াশোনা করেন। তার কাজ প্রদর্শিত প্রকাশিত হয়েছিল ওহঃবৎহধঃরড়হধষ ঈবহঃবৎ ড়ভ চযড়ঃড়মৎধঢ়যুতে, এটা তার শিল্পীসত্তার স্বীকৃতি।

২০২০ সাল থেকে তিনি নিয়মিত নিউইয়র্ক ফ্যাশন উইকের স্ট্রিট স্টাইল ধারণ করতে শুরু করেন। তার এই কাজই পরবর্তীতে তাকে আন্তর্জাতিক ফ্যাশন অঙ্গনে প্রবেশের সুযোগ করে দেয়। ২০২৪ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে তিনি বিখ্যাত ফ্যাশন হাউস ক্যারোলাইনা হেরেরার ব্যাকস্টেজ রানওয়ে ফটোগ্রাফার হিসেবে কাজ করেন। 

ফ্যাশনের পাশাপাশি তিনি ক্রীড়া সমসাময়িক ঘটনাবলিও ক্যামেরাবন্দি করেছেন। ইউএস ওপেনের মত বড় ক্রীড়া আসরেও তার উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়। এছাড়া তিনি জনপ্রিয় ইনফ্লুয়েন্সার সাইরাসের সঙ্গেও কাজ করেছেন। 

পেশাগত সাফল্যের পাশাপাশি ওয়াসি ছিলেন একজন সচেতন মানবিক কণ্ঠ। তিনি ফিলিস্তিনি অধিকার রক্ষায় সক্রিয় সমর্থক হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

তার সহকর্মী পরিচিত জনদের ভাষায়, ওয়াসি ছিলেন অত্যন্ত সদয়, নির্ভরযোগ্য এবং সমসাময়িক সংস্কৃতির সঙ্গে নিবিড়ভাবে সংযুক্ত একজন মানুষ। তিনি ছিলেন তাঁর ক্যারিয়ারের একেবারে সূচনালগ্নে। সম্ভাবনার এক উজ্জ্বল দিগন্ত সামনে রেখেই তাঁর এই অকাল প্রয়াণ। 

তিনি সম্পর্কে লেখক আবদুল্লাহ জাহিদ এবং বিশিষ্ট ডাক্তার, বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সভাপতি . মুহাম্মদ হামিদুজ্জামানের ভাগ্নি। তাঁর পিতা ওবাইদুল হক, নিউইয়র্ক সিটির ঘণচউতে কর্মরত।

Related Posts