বৃষ্টির মরদেহও উদ্ধার করেছে পুলিশ

বাঙালী প্রতিবেদনঃ ফ্লোরিডার সেন্ট পিটার্সবার্গের শেরিফ শ্যাড ক্রোনিস্টারের উদ্ধৃতি দিয়ে শুক্রবার সকালে এনবিসি নিউজ জানাল, নাহিদা বৃষ্টির মরদেহ পাওয়া গেছে। আমরা তার পরিবারের সাথে যোগাযোগ করেছি। আমরা এখন সক্রিয়ভাবে কাজ করছি জামিল লিমন নাহিদা বৃষ্টির দেহাবশেষ তাদের পরিবারের কাছে অর্পন করার জন্য। ডেন্টাল স্যাম্পল অনুযায়ী তাদের দেহাবশেষের পরিচিতি নিশ্চিত করা হয়েছে ডিএনএ মাধ্যমে। এছাড়া নাহিদা বৃষ্টি সর্বশেষ যে পোশাক পরিহিত ছিলেন বলে ভিডিওতে দেখা গেছে তা দেখেও পরিচিতি নিশ্চিত করা হয়েছে। উল্লেখ্য জামিল লিমনের মরদেহ আগেই উদ্ধার করে পুলিশ ট্যাম্পার হাওয়ার্ড ব্রিজের নিচে থেকে।

শেরিফ ক্রোনিস্টার বলেন এক ডিঙ্গি চালক যিনি মাছ ধরছিলেন, তিনিই মরদেহ দেখে পুলিশকে ফোন করেন। তিনি আরো একটু ভেতরে গিয়ে অবর্ণনীয় বিকট গন্ধ পান। কাছে গিয়ে একটি মুখ খোলা প্লাস্টিক ব্যাগ দেখতে পান। তিনি স্পষ্ট বুঝতে না পারলেও তার মনে হয় একটা মানুষের দেহ।

শেরিফ জানান, এর আগে হাইওয়ের পাশে হাওয়ার্ড ফ্রাংকল্যান্ড ব্রিজের কাছে একটি কালো ট্রাশ ব্যাগে লিমনের মরদেহ পাওয়া যায়। তার দুই হাত সামনের দিকে বাঁধা ছিল, দুই পাও গোড়ালির কাছে একত্রে বাঁধা ছিল। তার শরীরে অনেকবার ছুরিকাঘাতের ক্ষত ছিল।

শেরিফ বলেন, মারার উদ্দেশ্য সম্পর্কে আমরা এখনো নিশ্চিত হতে পারিনি। আশা করি আমরা জানতে পারব শিগগিরই।

আদালতের তথ্যের বরাত দিয়ে এনবিসি নিউজ জানাচ্ছে, আবুঘারবিহ ট্যাম্পা থেকে ক্লিয়ারওয়াটার পর্যন্ত লিমন বৃষ্টিকে ১৬ এপ্রিল রাইড দেয়। এই দিনই শেষবারের মত তাদের জীবিত দেখা গেছে। প্রথমে এই কথা আবু অস্বীকার করলেও জেরার মুখে এবং লিমনের ফোন তার গাড়িতে পাওয়া যাওয়ায় স্বীকার করে সে গাড়িতে তাদের ক্লিয়ারওয়াটারে ড্রপ করে। রাতে আবুঘারবিহ ট্রাশ ব্যাগ লাইসল ওয়াইপস এবং ফ্যাব্রিজ কেনে। পরের দিন তার ফোনের লোকেশন ড্যাটা অনুযায়ী আবু হাওয়ার্ড ফ্রাঙ্কল্যান্ড ব্রিজের কাছে যায়।

আদালত জানায় এর আগে ১৩ এপ্রিল আবু চ্যাটজিপিটির কাছে জানতে চায় কিভাবে একজনকে ডাম্পস্টারে ফেলা যায়।

ফ্লোরিডার এটর্নি জেনারেলের অফিস চলমান তদন্তকে ওপেন এআই বিস্তৃত করে তদন্ত করছে।

উল্লেখ্য দুইজন নিখোঁজ হওয়ার পর ২৪ এপ্রিল ট্যাম্পায় তার বাড়ি থেকে সন্দেহভাজন ব্যক্তি হিসাবে পুলিশ আবুঘারবিহকে গ্রেফতার করে। তাকে জামিন ছাড়া ফকেনবার্গ রোড জেলে রাখা হয়েছে।

Related Posts