নিউহ্যাম্পশায়ার থেকে ইউএস সিনেটের প্রাইমারিতে পারলেন না কারিশমা

বাঙালী প্রতিবেদনঃ যুক্তরাষ্ট্রের আপার হাউজ সিনেটের নির্বাচনে মনোনয়ন চেয়ে অনেক দূর এগিয়েও পারলেন না বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত প্রার্থী কারিশমা মনজুর। তাকে পরাজিত করে ডেমোক্রেটিক পার্টির মনোনয়ন পেলেন ক্রিস পাপাস। তিনি রিপাবলিকান পার্টির জন সুনুনুর বিরুদ্ধে লড়বেন আগামী নভেম্বরের নির্বাচনে। 

উল্লেখ্য গত সেপ্টেম্বর নিউ হ্যাম্পশায়ারের সিনেট নির্বাচনের প্রাইমারি অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে ডেমোক্রেটিক সিনেটর জিন শাহীন অবসর গ্রহণের ঘোষণা দিলে এই আসন খালি হয় এবং প্রাইমারি অনুষ্ঠিত হয়। কারিশমা মনজুর প্রগ্রেসিভ হিসাবে নির্বাচনে অবতীর্ণ হন। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে ক্রিস পাপাস মনোনয়ন পাওয়ায় এখন নভেম্বরের নির্বাচনের দিনে আমেরিকার রাজনীতিকদের এবং রাজনীতি বিশ্লেষকদের দৃষ্টি নিবদ্ধ। কারণ এই আসনটি ডেমোক্রেটরা হারালে সিনেটে তাদের সংকট বাড়বে।

মঙ্গলবারের প্রাইমারিতে ক্রিস পাপাস ৬০,১১৯ ভোট অর্থাৎ ৬৪.% পেয়ে জিতেছেন। আর তার নিকটস্থ প্রতিদ্বন্দ্বী কারিশমা মনজুর পেয়েছেন ৩০,৯৪২ ভোট বা ৩৩.%

অপর দিকে রিপাবলিকান প্রাইমারিতে ৪২,৩৫৪ বা ৬৮.% ভোট পেয়ে মনোনয়ন পেয়েছেন জন সুনুনু। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্কট ব্রাউন পেয়েছেন ১৬,৩৫৬ বা ২৬.% ভোট।

কারিশমা মনজুর কেমব্রিজ স্কুল অব ওয়েস্টন থেকে হাইস্কুল গ্রাজুয়েশন করে ইউনিভার্সিটি অব রচেস্টার থেকে ব্যাচেলর করেন ১৯৯৮ সালে। ২০০৪ সালে মাউন্ট সিনাই স্কুল অব মেডিসিন থেকে পিএইচ.ডি. করেন বায়ো কেমিস্ট্রি মলিকিউলার বায়োলজিতে। তিনি ইউনিভার্সিিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া বার্কলেতেও লেখাপড়া করেন।

কারিশমা মনজুর মনোনয়ন পেলে তিনিই হতেন প্রখম কোনো বাংলাদেশীআমেরিকান ইউএস সিনেট প্রার্থী। তবে প্রাইমারি প্রার্থী হিসাবেও তিনি প্রথম বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত প্রার্থী।

কারিশমা মনজুর ১৯৮১ সালে সেনা অভ্যুত্থানে নিহত জেনারেল আবুল মনজুরের মেয়ে।

Related Posts