নিউইয়র্কে ‘পিগ বুচারিং’ নামে নতুন প্রতারণা
বাঙালী প্রতিবেদনঃ আমেরিকায় নানা চেহারায় প্রতারণা ফিরে ফিরে আসে। প্রতারকরা গবেষণা করে নতুন নতুন প্লট তৈরি করে যাতে প্রতারণা যেন বুঝতে না পারে। তাদের মূল টার্গেট প্রধানত ইমিগ্রান্টরা। প্রকাশিত খবরে বলা হচ্ছে এই প্রতারণার নাম দেয়া হয়েছে ‘পিগ বুচারিং’। সম্প্রতিকালে এই প্রতারণার জালে আটকে অনেকে বিপুল অর্থ হারিয়েছে। বছরে এই প্রতারণায় কয়েক বিলিয়ন হারিয়ে যায়। প্রতারণার স্বরূপ সম্পর্কে বলা হয়েছে, প্রতারকরা এই স্ক্যামে খুব ধীরে জাল বিস্তার করতে থাকে। প্রয়োজনে তারা শিকারকে কুপোকাত করার জন্য কয়েক মাস সময় নেয়। প্রথমত তারা কোনো একজনের সাথে ইমেইলে, টেক্সটে, মেসেঞ্জারে বা অন্য সোশাল মিডিয়ায় পরিচিত হয়ে সম্পর্ক স্থাপন করে, সুন্দর ও আবেগপ্রবণ কথা বলে, তার শুভাকাঙ্খি সাজে। তারপর যখন বুঝতে পারে তার ওপর আস্থা রাখছে, তখন ক্রিপ্টোকারেন্সি সহ অন্যান্য আকর্ষণীয় ও দ্রুত লাভ হতে পারে এমন খাতে দুজনে মিলে বিনিয়োগের বা ব্যবসা করার প্রস্তাব দেয় আলাপচ্ছলে। প্রস্তাবে রাজি হলে প্রতারক তার উদ্দেশ্য সফল করে।
এ প্রসঙ্গে নিউইয়র্ক স্টেটের এটর্নি জেনারেলের অফিস থেকে দেয়া সতর্কতায় বলা হয়েছেঃ
০ ‘রোমান্টিক রিলেশনশিপ’ খুব স্বল্প সময়ে গঠিত হয় না। হলে এর মধ্যে সন্দেহের গন্ধ থাকে। তাই সাবধান থাকতে হবে। প্রতারক এতই ভাল কথা বলে ও ভাল সাজতে চায় যে তাকে খুব দ্রুত বিশ্বাস করে ফেলে তার শিকার না দেখেই।
০ যখন ইমোশন গভীর হয় তখন প্রতারক ইমোশনাল এক্সপ্লয়টেশন শুরু করে। ফলে সেখান থেকে ফেরা অনেক সময় সম্ভব হয় না। এরই মধ্যে ভিকটিমের কাছ থেকে যাবতীয় আর্থিক তথ্য হাতিয়ে নেয়।
০ অনেক ক্ষেত্রে ‘রোমান্টিক রিলেশনশিপ’এর প্রতি দুর্বলতাবশত অনেক ভিকটিম অর্থ লগ্নি করতেও দুইহাত বাড়িয়ে দেয়।
এটর্নি জেনারেলের অফিস থেকে সতর্ক করে বলা হয়ঃ
০ প্রতারণার ইঙ্গিত পেলেই যেন ভিকটিম সঙ্গে সঙ্গে যেসব তথ্য শেয়ার করেছে, সেসব একাউন্ট বন্ধ করে দেয়, ব্যাংক বা ক্রেডিট কার্ড কোম্পানিকে বিষয়টি জানায়।
০ তারা যেন অবিলম্বে নিউইয়র্ক স্টেট এটর্নি জেনারেলের অফিসে ৮০০—৭৭১—৭৭৫৫ নম্বরে ফোন করে জানায়।
