আমেরিকার ইউনিভার্সিটিতে বাংলাদেশী শিক্ষক—১৭৮

বাঙালী প্রতিবেদনঃ আমেরিকার বিভিন্ন ইউনিভার্সিটি কলেজে বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত বিপুল সংখ্যক নারী পুরুষ শিক্ষকতার সাথে জড়িত। তাদের অনেকেই লেকচারার কিংবা এ্যাসিস্ট্যান্ট বা এসোসিয়েট প্রফেসর কিংবা ফুল প্রফেসর। কেউ কেউ প্রফেসর ইমেরিটাসও। আরো আছেন গবেষক। তাদের প্রায় সকলেরই রয়েছে গবেষণা গ্রন্থ কিংবা গবেষণা নিবন্ধ। বই প্রকাশিত হয়েছে বিভিন্ন ইউনিভার্সিটির নিজস্ব প্রকাশনা থেকে। তাদের নিবন্ধ প্রকাশিত হয় নিজ নিজ ইউনিভার্সিটিসহ আন্তর্জাতিক জার্নালে। সাপ্তাহিক বাঙালী এই সিরিজে কেবল বিভিন্ন ইউনিভার্সিটি কলেজে যারা শিক্ষকতা গবেষণা করেন তাদের সংক্ষিপ্ত তথ্য তুলে ধরছেঃ

. রুহুল আবিদ

রোড আইল্যান্ডের প্রভিডেন্সে অবস্থিত ব্রাউন ইউনিভার্সিটির ওয়ারেন এলপার্ট মেডিকেল স্কুলে সার্জারি রিসার্চের এসোসিয়েট প্রফেসর . রুহুল আবিদ। তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমডি ডিগ্রি অর্জন করেন হাইপারটেনশন এর সাথে সম্পৃক্ত ডিজিজ বিষয়ে। পরে তিনি জাপানের নাগোয়া ইউনিভার্সিটি থেকে মলিকিউলার বায়োলজি বায়োকেমিস্ট্রিতে পিএইচ.ডি. করেন। এরপর ২০০১ সালে তিনি হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুলের ডিকনেস মেডিকেল সেন্টার থেকে ভাস্কুলার মেডিসিনে ফেলোশিপ করেন।

. তানিয়া আলী

রোড আইল্যান্ডের প্রভিডেন্সে অবস্থিত ব্রাউন ইউনিভার্সিটির ওয়ারেন এলপার্ট মেডিকেল স্কুলের মেডিসিনের এসোসিয়েট প্রফেসর . তানিয়া আলী। তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমডি করে বস্টন ইউনিভার্সিটির রজার উইলিয়ামস মেডিকেল সেন্টার থেকে ইন্টারনাল মেডিসিনে রেসিডেন্সি এবং এরপরে ইনফেকশাস ডিজিজে ফেলোশিপ করেন। এরপর তিনি আরো এক বছর রিসার্চ ফেলোশিপ করেন হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির ম্যাসাচুসেটস জেনারেল হসপিটালে।

. রুহুল কুদ্দুস

রোড আইল্যান্ডের প্রভিডেন্সে অবস্থিত ব্রাউন ইউনিভার্সিটির প্যাথোলজি ল্যাবরেটরি মেডিসিনের প্রফেসর . রুহুল কুদ্দুস। তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস করেন। পরে নিউইয়র্কের কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটির সেন্ট ল্যুক রুজভেল্ট হসপিটাল থেকে প্যাথোলজিতে রেসিডেন্সি করেন। এছাড়াও স্টুয়ার্ট লচল্যান ফেলোশিপ করেন গাইনোকোলজিক ব্রেস্ট প্যাথোলজিতে ব্রাউন ইউনিভার্সিটির উইমেন এন্ড ইনফ্যান্টস হসপিটালে।

Related Posts