চলে গেলেন ডলি পারটন
বাঙালী প্রতিবেদনঃ বিংশ শতকে আমেরিকার কান্ট্রি মিউজিককে যে কয়জন জনপ্রিয়তার তুঙ্গে নিয়ে যান তাদের অন্যতম ডলি পারটন। টেনিসির ন্যাশভিলের যে কিশোরী গান গেয়ে পাহাড়ে পাহাড়ে সুরের প্রতিধ্বনি তুলেছেন তিনি শুধু হলিউড কাঁপিয়েছেন তাই নয়, আমেরিকার মিউজিক ইন্ডাস্ট্রিকে ভাইব্র্যান্ট রেখেছেন দীর্ঘকাল। শুধু গান গেয়ে নয়, নিজে গান লিখেও শ্রোতাদের হৃদয়কে দোলায়িত করেছেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালে রেকর্ড করা ‘কোট অব মেনি কালারস’, ১৯৭৩ সালে রেকর্ড করা ‘জোলেন জোলেন’, পরের বছর ‘আই উইল অলওয়েজ লাভ ইউ’ কিংবা ১৯৮০ সালের সিঙ্গেলস ‘নাইন টু ফাইভ’ শ্রোতারা দীর্ঘদিন মনে রাখবে।
ডলি পারটনের জন্ম ১৯৪৬ সালের ১৯ জানুয়ারি, টেনিসিতে। আর দীর্ঘ ৮০ বছরের জীবন শেষে ক্যান্সারের সাথে লড়াই করে ভ্যান্ডারবিল্ট ইনগ্রাম ক্যান্সার সেন্টারে মৃত্যুবরণ করেন গত ২৫ আগস্ট।
গান গাওয়ার পাশাপাশি ডলি পারটন প্রায় ৩০০০ গান লিখেছেন। আমেরিকার কান্ট্রি মিউজিকের অত্যন্ত সম্মানজনক জায়গায় অবস্থান নেন ১১টি গ্র্যামি এওয়ার্ড পাওয়ার মধ্য দিয়ে। ডলি পারটন অভিনয়ও করেছেন। টিভি শোতে অভিনয়ের জন্য পান তিন বার এমি এওয়ার্ড। আর মুভিতে অভিনয়ের জন্য দুইবার মনোনয়ন পান একাডেমি এওয়ার্ডের জন্য আর ছয় বার গোল্ডেন গ্লোবের জন্য।
ডলি পারটনের ৪৯টি স্টুডিও এ্যালবাম প্রকাশিত হয়েছে। তার লেখা গান অন্য শিল্পী গেয়েও জনপ্রিয় হয়েছেন।
ডলি পারটন ছিলেন দানশীল নারী, ফিনালথ্রপিস্ট। এর জন্য তিনি প্রতিষ্ঠা করেন ডলিউড ফাউন্ডেশন।
