প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কথা রাখেননি
বাঙালী প্রতিবেদনঃ এসোসিয়েটেড প্রেস এই খবরের মধ্য দিয়ে আমেরিকানদের স্মরণ করিয়ে দিল প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি নির্বাচনী প্রতিশ্রম্নতির কথা। তার নির্বাচনী ক্যাম্পেইনের অনেক এজেন্ডার অন্যতম ছিল ‘মেক আমেরিকা এফোর্ডেবল এগেইন’। অর্থাৎ এমএএএ। এই প্রতিশ্রম্নতিতে তিনি বলেছিলেন হোয়াইট হাউজে গেলে তিনি ইলেকট্রিসিটির বিল অর্ধেকে নামিয়ে আনবেন। গত ১৮ মাসে তার এই প্রতিশ্রম্নতি তো তিনি পূরণ করেনইনি, বরঞ্চ গত ফেব্রুয়ারি মাসে আমেরিকা জুড়েই ইলেকট্রিসিটির দাম বাড়ানো হয়েছে ৪.৮% আর নেচারাল গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়েছে ১০.৯%। এসোসিয়েটেড প্রেস বলছে এই তথ্য তারা পেয়েছে লেবার ডিপার্টমেন্টের কনজ্যুমার প্রাইস ইনডেক্স থেকে।
একটি ননপ্রফিট সংস্থা ‘পাওয়ার লাইন্স’র গবেষণায় বলা হয়েছে আমেরিকানরা অদূর ভবিষ্যতে গ্যাস—ইলেকট্রিসিটির দাম কমার কোনো আশা দেখছে না। কারণ উক্ত রেট নির্ধারণ কার্যকরের কারণে ৮ কোটি মানুষ এখন এই উচ্চমূল্যের খেসারত দিচ্ছেন। এসোসিয়েটেড প্রেস ও এনওআরসির যৌথ জরিপে ধরা পড়েছে আমেরিকার ৩৫% মানুষ এই মূল্য বৃদ্ধি নিয়ে গভীরভাবে চিন্তিত। জরিপ হয় গত মাসে।
একজন আমেরিকান বলেন, এই মূল্যবৃদ্ধি আমাকে ভেঙে ফেলেছে। একমাত্র প্রেসিডেন্টের সরাসরি হস্তক্ষেপ ছাড়া দাম কমানোর কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।
এপি বলছে, মানুষের এই বিপর্যস্ত সামর্থের মধ্যেই ইরানের যুদ্ধ বাড়িয়ে দিয়েছে গাড়ির গ্যাসের দাম। আর তার সাথে জুড়েছে স্বল্প আয়ের ও দরিদ্র মানুষদের খানিকটা রক্ষা কবচ স্নাপ কর্মসূচী নিয়ে নানা জটিলতা। অনেকে স্নাপ নবায়ন করতে গিয়ে পড়েছেন বিপাকে। তারও আগে ফেডারেল এমপ্লয়ীদের চাকরিচ্যুত করায় সারাদেশে বিপুল সংখ্যক মানুষ পড়েন সমস্যায়। এমন এক পরিস্থিতিতে এ বছর আমেরিকার উত্তর—পূর্বাঞ্চলসহ অনেক এলাকায় শীত দীর্ঘস্থায়ী হওয়ায় হিটিং গ্যাসের ব্যবহারও বেড়ে যায়। এসোসিয়েটেড প্রেসের জরিপে বলা হচ্ছে, এইসব কিছুর সরাসরি প্রভাব পড়বে আগামী মিডটার্ম নির্বাচনে।
