চ্যাটজিপিটি নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের ভীতি
বাঙালী প্রতিবেদনঃ সিলিকন ভ্যালির টেক কোম্পানিগুলোতেও নিয়ন্ত্রণ কায়েম করতে ছাড় দিলেন না প্রেসিডেন্ট। আর এবার তিনি হাত দিলেন এই সময়ের সবচেয়ে বিতর্কিত, আলোচিত ও আধুনিক প্রযুক্তি চ্যাটজিপিটির নির্মাতা কোম্পানি ওপেন এআইএর ওপর। শুক্রবার ওয়াশিংটন পোস্ট এই খবরটি দিয়েছে। এর শিরোনাম ‘যুক্তরাষ্ট্র সিদ্ধান্ত নেবে সর্বশেষ আপগ্রেড করা চ্যাটজিপিটি কে ব্যবহার করবে’।
ওপেন এআই তাদের ব্লগে এ প্রসঙ্গে শুক্রবার মন্তব্য লেখে। সেই ব্লগের বরাত দিয়ে ওয়াশিংটন পোস্ট বলছে, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (মডেল এচঞ ৫.৬ ড়ৎ ঝড়ষ) এর সবশেষ ডেভেলপমেন্ট বিষয়ে সরকার আগেই অনুমোদন দিয়েছিল যে কেউ এতে প্রবেশাধিকার পেতে পারে। এখন ফেডারেল সরকারের এই সিদ্ধান্তে আমরা চিন্তিত।
ব্লগে আরো বলা হয়, এই ধরনের সরকারি বিধি নিষেধ দীর্ঘস্থায়ী ক্ষত তৈরি করে। তারা শ্রেষ্ঠ টুলগুলোকে এর ব্যবহারকারীদের, উদ্ভাবক, ডেভেলপার, সইবার ডিফেন্ডার ও গ্লোবাল অংশীদারদের কাছ থেকে দূরে সরিয়ে দিতে চাইছে।
ওপেন এআই বলছে, এটা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের এ যাবতকালের ইতিহাসে সবচেয়ে শক্তিশালী মডেল। এই মডেলটি শুধু কোডিংএ নয়, সাইবার সিকিউরিটি টাস্কেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। অথচ সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী যেসব কোম্পানি সরকার অনুমোদিত কেবল তারাই এতে প্রবেশাধিকার পাবে।
ওয়াশিংটন পোস্ট ওপেন এআই এর কনটেন্ট পার্টনার। পোস্ট বলছে, গত বছর হোয়াইট হাউজে এসে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প টেক কোম্পানিগুলোকে আরো বেশি স্বাধীনতা দেয়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন। কিন্তু সম্প্রতি ক্লড চ্যাটবট এর প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান এ্যানথ্রোপিক অন্য ধরনের আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স মডেল ডেভেলপ করেছে, যা কিনা ক্রিটিক্যাল সফটওয়্যারের দুর্বলতাসমূহ শনাক্ত করতে পারে। ট্রাম্প প্রশাসন এই সফটওয়্যার ব্যবহার করে।
অসীম ক্ষমতাশালী হয়ে ওঠা আর্টিফিশিাল ইন্টেলিজেন্স নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের ভীতি কেন তা অনেকেই বুঝতে পারছে।
