‘সঠিকভাবে গণনা হলে আমি জিতব’ শামসুল হকের ভোট পুনর্গণনা হচ্ছে
বাঙালী প্রতিবেদনঃ বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত সাবেক এনওয়াইপিডি অফিসার শামসুল হক খুব গুছিয়ে পদ্ধতিগতভাবে নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়েছেন। বিপুল সংখ্যক বাড়িতে গিয়ে ডোর নক করেছেন। হাজার হাজার ফোন ব্যাংকিং করেছেন। একদল তরুণ তরুণী তার জন্য স্বেচ্ছাশ্রম দিয়েছে। সুন্দর একটি ওয়েবসাইটও করেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মাত্র ১৩ ভোটের ব্যবধানে আটকে গেলেন। এসেম্বলিম্যান স্টিভেন রাগা তার ডিস্ট্রিক্টে না দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিলে শামসুল হক এই বাংলাদেশী অধ্যুষিত আসনে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন। প্যাট্রিক মার্টিনেজ তাকে চ্যালেঞ্জ করেন। প্যাট্রিক সাবেক কংগ্রেসম্যান জো ক্রাউলির নেফিউ। শামসুল হকের সবচেয়ে বড় শক্তি ছিল তিনি সিনেটর বার্নি স্যান্ডর্সের এনডোর্সমেন্ট পেয়েছিলেন।
সর্বশেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী ৯৯% প্রিসিংক্টের ভোট গণনা শেষে ৩০ ডিস্ট্রিক্টের এই এসেম্বলি আসনে প্যাট্রিক পেয়েছেন ২,৭০৩টি ভোট আর শামসুল পেয়েছেন ২,৬৯০টি। এই আসনে শামসুলের সবচেয়ে ক্ষতি করেছেন নেপালি কম্যুনিটির প্রার্থী সোমনাথ ঘিমিরি। তিনি পেয়েছেন ৬৮৯ ভোট। ধারণা করা যায় তিনি পেয়েছেন প্রধানত দক্ষিণ এশীয় বংশোদ্ভুত শামসুলের ভোটগুলোই।
শামসুল হক সাপ্তাহিক বাঙালীকে জানান, তিনি নিউইয়র্ক সিটির বোর্ড অব ইলেকশনে পুনর্গণনার আবেদন করলে বিওই তা মেনে নিয়েছে। নিউইয়র্ক স্টেটের বোর্ড অব ইলেকশনের নিয়ম অনুসারে কোনো প্রার্থী ২০টি ভোটের কম বা ০.৫% বা তার কম পেয়ে হেরে গেলে পুনর্গণনার আবেদন করা যায়।
জানা গেছে ৫০০ এরও বেশি মেইল—ইন ব্যালট পৌঁছেছে বোর্ড অব ইলেকশনে, তবে এর মধ্যে কত ভোট গণনা হয়েছে, তা জানা যায়নি।
শামসুল হক বলেন, প্রত্যেকটি ভোটই গুরুত্বপূর্ণ। তাই প্রতিটি ভোট গণনা করতে হবে। তিনি বলেন, আমি নিশ্চিত পুনর্গণনা হলে আমি জিতব।
উল্লেখ্য এসেম্বলি ডিস্ট্রিক্ট ৩০এর অন্তভুর্ক্ত এলাকাসমূহ জ্যাকসন হাইটস, উডসাইড, ইস্ট এলমহাস্টর্, করোনা ও ম্যাসপেথ।
