দুই বছরে বেড়েছে ৪০০% || নিউইয়র্কে এশিয়ানদের ধরপাকড়
বাঙালী প্রতিবেদনঃ আমেরিকার বাইরে জন্মগ্রহণকারী সর্ববৃহৎ ইমিগ্রান্ট কম্যুনিটি এশিয়ান আমেরিকান। তাদের সংখ্যা ৬৫%। এই কম্যুনিটিতে এশিয়ার এবং প্যাসিফিক আইল্যান্ডের ৩৫টি দেশ অন্তভুর্ক্ত। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত বছর দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে এ বছর আগস্ট পর্যন্ত এশীয় বংশোদ্ভুতদের গ্রেফতারের হার বেড়েছে ৪৩৬% বিগত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সময়কালের তুলনায়।
গত মঙ্গলবার এশিয়ান আমেরিকান এন্ড প্যাসিফিক আইল্যান্ডার আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান এএপিআইএর ‘স্টপ হেইট’ কর্মসূচীর কো—ফাউন্ডার সিনথিয়া চোই। তিনি বলেন, এশিয়ান আমেরিকান কম্যুনিটির যেসব সদস্যকে গ্রেফতার এবং ডিপোর্ট করা হয়েছে, তাদের প্রত্যেকের জীবনে এবং পরিবারে নেমে এসেছে অসহনীয় কষ্ট ও দুর্ভোগ।
তার বক্তব্য থেকে উঠে আসে, আমেরিকায় বিভিন্ন কম্যুনিটির যত মানুষকে ডকুমেন্টেড এবং আনডকুমেন্টেড গ্রেফতার করা হয়েছে তার মধ্যে তৃতীয় বৃহত্তম কম্যুনিটি হলো এশিয়ান আমেরিকান। আর সর্বাধিক গ্রেফতার করা হয়েছে ক্যালিফোর্নিয়া ও টেক্সাস থেকে। তৃতীয় অবস্থানে থাকা নিউইয়র্কে এই গ্রেফতারের হার প্রেসিডেন্ট বাইডেনের সময়ের চেয়ে প্রায় ৪০০% বেশি।
ব্রেকডাউন করে বলা হয়েছে ২০২৫ সালের ২০ জানুয়ারি থেকে এ বছর ৬ আগস্ট পর্যন্ত নিউইয়র্ক সিটিতে দক্ষিণ এশীয় ও পূর্ব এশীয় দেশসমূহের ইমিগ্রান্টদের গেফতার করা হয়েছে ১,৫৮৬ জনকে। একই সময়কালে আইস নিউইয়র্কে দক্ষিণ এশীয় দেশসমূহের ৮৯৯ জন ইমিগ্রান্টকে গ্রেফতার করেছে। এর মধ্যে অর্ধেকই ভারতীয় বংশোদ্ভুত বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এশিয়ান ইমিগ্রান্টদের গ্রেফতারের সংখ্যা এ পর্যন্ত কোনো এক নির্দিষ্ট সময়কালে সর্বাধিক হলো এ বছর জুলাই মাসে। এই মাসে গ্রেফতারের সংখ্যা ১,০৫০ জন।
নিউইয়র্কের পরে অপর যেসব স্টেট থেকে সর্বাধিক সংখ্যক এশিয়ান বংশোদ্ভুত ইমিগ্রান্টদের গ্রেফতার করা হয়েছে সেসব স্টেট হলো, ওকলাহোমা, ইন্ডিয়ানা, মিনেসোটা, পেনসিলভেনিয়া। ২০২৫ সালের ২০ জানয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ৬ আগস্ট পর্যন্ত আইস কাস্টডিতে এশীয় বংশোদ্ভুত ১২ ইমিগ্রান্টের মৃত্যু হয়েছে।
