মির্জা ফখরুলই রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন
ঢাকা থেকেঃ ক্ষমতাসীন বিএনপির মহাসচিব ও স্থায়ী কমিটির সদস্য পদ ছেড়ে দলের রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সংসদে দলটির নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন, এটা একরকম নিশ্চিত।
মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর সরকারেও পদ শূন্য হবে। একই সঙ্গে তার নির্বাচনি আসনও শূন্য ঘোষণা করা হবে। দল ও সরকারের শূন্য পদে কারা আসছেন, তা নিয়ে যেমন আলোচনা আছে, তেমনি সরকারের ছয় মাসের কর্মকাণ্ড পর্যালোচনা করে মন্ত্রিসভায় রদবদলের আলোচনাও সামনে আসছে।
মির্জা ফখরুল বর্তমানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আছেন। এ পদে কে আসবেন, সে জল্পনা চলছে। এছাড়া তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় রদবদলের যে আভাস মিলছে, তাতে অন্তত ছয়—সাতটি পদে পরিবর্তন আসতে পারে। কোনো কোনো মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী বাদ পড়তে পারেন। পাশাপাশি একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীর ক্ষেত্রে দায়িত্ব কমিয়ে প্রধানমন্ত্রী নতুন কাউকে যুক্ত করতে পারেন তার মন্ত্রিসভায়।
বিএনপির স্থায়ী কমিটি ও মন্ত্রিসভার ছয়জন সদস্য বলেছেন, মন্ত্রিসভায় রদবদলের বিষয়টি স্বাভাবিক। কেউ কেউ বলছেন, মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি হলে পদ যেটি শূন্য হবে, শুধু সেটিই পূরণ করা হবে।
২৪ জুলাই রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করায় নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজন করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন (ইসি) যে তফসিল দিয়েছে, সেখানে ২০ অগাস্ট ভোটগ্রহণের দিন রাখা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিএনপির উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুলের মনোনয়ন চূড়ান্ত করা হয়। সে বৈঠকেই তিনি দলের মহাসচিব ও স্থানীয় কমিটি থেকে পদত্যাগ করেন। এরপর দুপুরে নির্বাচন কমিশনে তার মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়।
মির্জা ফখরুল হতে যাচ্ছেন দেশের তেইশতম রাষ্ট্রপতি।
